ঢাকা ০২:০৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ১০ ডিসেম্বর ২০২২, ২৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ

এনআইডি যাচাই করতে এসে ধরা খেলেন দালাল চক্রের দুলাল

অন্যের জাতীয় পরিচয়পত্রের (এনআইডি) খোঁজ নিতে এসে এনআইডি কর্মকর্তাদের কাছে ধরা খেলেন মো. দুলাল মিয়া নামে দালাল চক্রের এক সদস্য। তিনি একসঙ্গে ছয়টি এনআইডি যাচাই করতে এসে ধরা খেয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৭ নভেম্বর) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে নিজ কার্যালয়ে এনআইডি মহাপরিচালক এ কে এম হুমায়ুন কবীর সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।

এনআইডি মহাপরিচালক বলেন, গতকাল বুধবার বিকেলে দালাল চক্রের সদস্য মো. দুলাল মিয়া এনআইডির প্রবাসী শাখায় ছয়জন নতুন ভোটারের তথ্য যাচাই করতে আসেন। দুলাল মিয়া একসঙ্গে ছয়জনের ফরম জমা দিয়ে আমাদের অফিসারদের চেক করতে বলে। সবগুলো চেক করার পর শেষের পাতায় এই ছয়জনের নামের পাশে টাকার হিসাব পাওয়া যায়। এতে আমাদের কর্মকর্তাদের সন্দেহ হলে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করে ঘটনার সত্যতা পায়। এছাড়া, এই ছয়জনের এনআইডি থেকে ফোন নম্বর নিয়ে ভুক্তভোগীদের সঙ্গে কথা বললেও ভুক্তভোগীরা টাকার বিনিময়ে দুলাল মিয়ার এনআইডি দেওয়ার বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করেন।

এনআইডির কর্মকর্তারা বলেন, বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার নির্বাচন কমিশনে দায়িত্বরত পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়। এরপর নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ে দায়িত্বরত পুলিশ দালাল দুলাল মিয়াকে শেরে বাংলা নগর থানায় সোপর্দ করে। তবে থানায় সোপর্দ করলেও এনআইডির পক্ষ থেকে কোনো মামলা করা হয়নি বলে জানান কর্মকর্তারা।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published.

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

এনআইডি যাচাই করতে এসে ধরা খেলেন দালাল চক্রের দুলাল

আপডেট সময় ০২:৪৪:৫৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ নভেম্বর ২০২২

অন্যের জাতীয় পরিচয়পত্রের (এনআইডি) খোঁজ নিতে এসে এনআইডি কর্মকর্তাদের কাছে ধরা খেলেন মো. দুলাল মিয়া নামে দালাল চক্রের এক সদস্য। তিনি একসঙ্গে ছয়টি এনআইডি যাচাই করতে এসে ধরা খেয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৭ নভেম্বর) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে নিজ কার্যালয়ে এনআইডি মহাপরিচালক এ কে এম হুমায়ুন কবীর সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।

এনআইডি মহাপরিচালক বলেন, গতকাল বুধবার বিকেলে দালাল চক্রের সদস্য মো. দুলাল মিয়া এনআইডির প্রবাসী শাখায় ছয়জন নতুন ভোটারের তথ্য যাচাই করতে আসেন। দুলাল মিয়া একসঙ্গে ছয়জনের ফরম জমা দিয়ে আমাদের অফিসারদের চেক করতে বলে। সবগুলো চেক করার পর শেষের পাতায় এই ছয়জনের নামের পাশে টাকার হিসাব পাওয়া যায়। এতে আমাদের কর্মকর্তাদের সন্দেহ হলে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করে ঘটনার সত্যতা পায়। এছাড়া, এই ছয়জনের এনআইডি থেকে ফোন নম্বর নিয়ে ভুক্তভোগীদের সঙ্গে কথা বললেও ভুক্তভোগীরা টাকার বিনিময়ে দুলাল মিয়ার এনআইডি দেওয়ার বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করেন।

এনআইডির কর্মকর্তারা বলেন, বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার নির্বাচন কমিশনে দায়িত্বরত পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়। এরপর নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ে দায়িত্বরত পুলিশ দালাল দুলাল মিয়াকে শেরে বাংলা নগর থানায় সোপর্দ করে। তবে থানায় সোপর্দ করলেও এনআইডির পক্ষ থেকে কোনো মামলা করা হয়নি বলে জানান কর্মকর্তারা।