ঢাকা ০২:৩১ অপরাহ্ন, শনিবার, ১০ ডিসেম্বর ২০২২, ২৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ

জমি আত্মসাতের তথ্য জানতে চাওয়ায় সাংবাদিক নেতার বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা

সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা করেছেন কুমিল্লা জেলার মুরাদনগর উপজেলার বাঙ্গুরা থানাধীন উত্তর দিঘীরপাড়ের বাসিন্দা ভূমি আত্মসাতকারী মরহুম আমিরুজ্জামান এর পুত্র মাহবুবুল আলম আল (আমিন) ঘটনার সুত্রপাত কুমিল্লা জেলার মুরাদনগর উপজেলার বাঙ্গুরা থানাধীন উত্তর দিঘির পাড়ের মরহুম নজিবর রহমান এর কন্যাদের অভিযোগ আমাদের আপন ভাইয়ের ছেলে মাসুদুল আলম(মাসুদ) ও মাহবুবুল আলম (আলামিন)আমাদের সম্পত্তি আত্মসাৎ করিয়া অন্যত্র বিক্রি করে দিয়েছে।

ঘটনার বিবরণ সত্যতা যাচাই করতে গিয়ে জানা যায় , মাসুদুল আলম বাংলাদেশ পুলিশের এসবির এ এস আই পদে চট্টগ্রাম রেঞ্জে কর্মরত মাহবুবুল আলম জমি কেনাবেচা করেন। ভুক্তভোগী ফিরোজা বেগম ও পিয়ারা বেগমের দাবি আমাদের বাবা রেখে যাওয়া সম্পত্তি ভাইয়ের ছেলেরা দখল করে খাচ্ছে আমরা তফসিল অফিস থেকে খোঁজখবর নিয়ে কুমিল্লা সেটেলমেন্ট অফিস থেকে জমির বৈধ কাগজ উঠিয়ে খাজনা প্রদান করে সম্পত্তি বুঝিয়ে নিতে গেলে ভাইয়ের ছেলে মাহবুবুল আলম পিতা মরহুম আমিরুজ্জামান গ্রাম উত্তর দিঘীরপাড় থানা,বাঙ্গুরা বাজার উপজেলা মুরাদনগর জেলা কুমিল্লা সে ভাই মাসুদুল আলমের পুলিশের চাকরির প্রভাব দেখিয়ে আমাদের ভয়-ভীতি দেখায়।

এ ব্যাপারে এসবির এএসআই মাসুদুল আলম এর কাছে মোবাইল ফোনে কথা বলেন সাংবাদিক নেতা আরজেএফ সদস্য,জাতীয় সাপ্তাহিক মুক্তির চেতনায় বাংলাদেশ পত্রিকার ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক মোঃ রাজু আহমেদ সুজন। ঘটনার বিবরণ তার কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন অভিযোগকারীরা আমার আপন ফুফু এ বিষয়ে আমার ছোট ভাই মাহাবুল আলম এর সাথে কথা বলুন তাহার দেওয়া মোবাইল ফোন নাম্বারে ফোন দিলে মাহবুবুল আলম জানান এটা আমাদের ফুফুদের সাথে পারিবারিক বিষয় এ বিষয়ে আমি ফুফুদের সাথে মিট করে নেব, তাহার আশ্বাসের ভিত্তিতে ও পারিবারিক বিবেচনায় নিউজ করা থেকে বিরত থাকেন সাংবাদিক রাজু আহমেদ সুজন। ভুক্তভোগীদের দাবি সাংবাদিক ফোন দেওয়ার পরে ভাতিজা মাহবুবুল আলম আরো চড়াও হন ফুফুদের উপর বিভিন্ন রকম গালমন্দ ও প্রাণনাশের হুমকি প্রদান করেন।

এ বিষয়ে ভুক্তভোগীর বোন পিয়ারা বেগম বাঙ্গুরা বাজার থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি দায়ের করেন। জিডি নং ১০৭,তাং০৩/০৭/২০২২ইং এ বিষয়ে সাংবাদিক রাজু আহমেদ সুজন বিষয়টি মোবাইল ফোনে বাঙ্গুরা বাজার থানার অফিসার ইনচার্জের দৃষ্টি আকর্ষণ করলে তিনি বলেন, বিষয়টি যেহেতু পারিবারিক আমরা তদন্ত করে দেখছি, জিডি করার এক সপ্তাহ পরে ভুক্তভোগী ফিরোজা বেগম জানায় আমার বোন থানায় জিডি করায় বিবাদীগণ আমাকে মারধর করেছে, এবং পুলিশ বিবাদীগণের পক্ষে কাজ করছে, এ বিষয়ে পুনরায় অফিসার ইনচার্জের দৃষ্টি আকর্ষণ করলে তিনি জানায় আমরা জিডির কাগজ কোর্টে পাঠিয়ে দিয়েছি আদালতের নির্দেশ পেলে যথাযথ ব্যবস্থা নেয়া হবে। ফিরোজা বেগম তাকে মারধরের বিষয় কুমিল্লা আদালতে বাটোয়ারা ও একটি সিআর মামলা করেন বর্তমানে সেটি তদন্ত দিন। এবং সাধারণ ডায়রির বিষয় আদালতের শরণাপন্ন হলে আদালত বাংগরা বাজার থানা কে ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ প্রদান করেন।

এমতাবস্থায় মাহাবুল আলম (আল-আমিন) ফুফুদের মামলা থেকে বাঁচতে আদালতে একটি (সি আর) কাউন্টার বানোয়াট মারামারি মামলা দেন এবং ওই মামলায় তার দুই বৃদ্ধ ফুফু বৃদ্ধ ফুপা ও ঢাকায় বসবাসরত সাংবাদিক নেতা আরজেএফ সদস্য ও মুক্তির চেতনায় বাংলাদেশ পত্রিকার ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক, রাজু আহমেদ সুজন কে আসামি করেন। ভুক্তভোগী পেয়ারা বেগমের দাবি আদালত মামলাটি তদন্তের জন্য বাঙ্গরা বাজার থানায় প্রেরণ করিলে,দায়িত্বপ্রাপ্ত সাব ইন্সপেক্টর সুমন দাস অভিযুক্ত ফুফু ও ফুপা কে শক্ত ভাষায় কথা বলেন এবং বিবাদীদের বিরুদ্ধে করা মামলা আদালত থেকে তুলে নিতে বলেন।

এ বিষয়ে সাংবাদিক রাজু আহমেদ সুজন এসআই সুমন দাস কে মোবাইলে ফোন করিলে তিনি সাংবাদিক নেতা রাজু আহমেদ সুজনকে বাঙ্গরা বাজার থানায় গিয়ে দেখা করতে বলেন। এ সময় রাজু আহমেদ সুজন বলেন আমি একটা পত্রিকার ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক আমাকে সব সময় ঢাকাতেই থাকতে হয়, মাহবুবুল আলম আমার বিরুদ্ধে যে মামলা করেছেন সম্পূর্ণ বানোয়াট ভিত্তিহীন সুস্থ তদন্ত সাপেক্ষে সত্যের পক্ষে অবস্থান নিন।

আমাদের অনুসন্ধানে মূল সত্য বেরিয়ে আসবে আমরা আশাবাদী,সর্বশেষ গত ০৮/১১/২০২২ইং আমার মোবাইল থেকে বাঙ্গুরা বাজার থানার এস আই সুমন দাস কে ফোন করিলে তিনি তিনি বলেন সাংবাদিক রাজু আহমেদ সুজন কে বলবেন তাহার আইডি কার্ড নিয়ে যেন থানায় এসে দেখা করেন, ঠিকানা বিহীন কিভাবে মামলা দিল জানতে চাইলে এসআই সুমন দাশ বলেন তিনি বিবাদীদের আত্মীয় লাগেন তাই তাদের ঠিকানায় উল্লেখ করে মামলা দিয়েছেন। মামলার অভিযোগের সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন একটি বিচারে বসছে সেই বিচারের মধ্যে তিনি রাজু আহমেদ বিবাদীকে মারধর ও হুমকি প্রদান করেছেন।

প্রতিবেদন দিতে কেমন সময় লাগতে পারে জানতে চাইলে তিনি বলেন সেটা এখন বলা যাবেনা সময় লাগবে । গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার অনুমোদিত, এস এম মাল্টিমিডিয়ার চেয়ারম্যান ,সাংবাদিক রাজু আহমেদ সুজন তিনি ঢাকায় বসবাসরত ঢাকা থেকে কোথাও বের হলে তিনি এসাইমেন্ট ছাড়া বের হন না ,তাহার ১৩ বছর সাংবাদিকতার জীবনে তিনি কখনো ফৌজদারি অপরাধের সাথে জড়ায়নি।

অথচ সম্পদ লোভী মাহবুবুল আলম নিজের অপরাধ আড়াল করতে সাংবাদিকতার সম্মানহানির করার জন্য মামলা করেছেন বলে আমরা ধারণা করছি। বিষয়টি পরিষ্কারভাবে জানার জন্য মাহবুবুল আলমের বক্তব্য তুলে ধরার জন্য মোবাইল ফোনে একাধিকবার ফোন দিও তাকে পাওয়া যায়নি।
ইনশাআল্লাহ পরবর্তী রিপোর্টে থাকবে বিস্তারিত

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published.

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জমি আত্মসাতের তথ্য জানতে চাওয়ায় সাংবাদিক নেতার বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা

আপডেট সময় ০৫:৫০:০৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ নভেম্বর ২০২২

সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা করেছেন কুমিল্লা জেলার মুরাদনগর উপজেলার বাঙ্গুরা থানাধীন উত্তর দিঘীরপাড়ের বাসিন্দা ভূমি আত্মসাতকারী মরহুম আমিরুজ্জামান এর পুত্র মাহবুবুল আলম আল (আমিন) ঘটনার সুত্রপাত কুমিল্লা জেলার মুরাদনগর উপজেলার বাঙ্গুরা থানাধীন উত্তর দিঘির পাড়ের মরহুম নজিবর রহমান এর কন্যাদের অভিযোগ আমাদের আপন ভাইয়ের ছেলে মাসুদুল আলম(মাসুদ) ও মাহবুবুল আলম (আলামিন)আমাদের সম্পত্তি আত্মসাৎ করিয়া অন্যত্র বিক্রি করে দিয়েছে।

ঘটনার বিবরণ সত্যতা যাচাই করতে গিয়ে জানা যায় , মাসুদুল আলম বাংলাদেশ পুলিশের এসবির এ এস আই পদে চট্টগ্রাম রেঞ্জে কর্মরত মাহবুবুল আলম জমি কেনাবেচা করেন। ভুক্তভোগী ফিরোজা বেগম ও পিয়ারা বেগমের দাবি আমাদের বাবা রেখে যাওয়া সম্পত্তি ভাইয়ের ছেলেরা দখল করে খাচ্ছে আমরা তফসিল অফিস থেকে খোঁজখবর নিয়ে কুমিল্লা সেটেলমেন্ট অফিস থেকে জমির বৈধ কাগজ উঠিয়ে খাজনা প্রদান করে সম্পত্তি বুঝিয়ে নিতে গেলে ভাইয়ের ছেলে মাহবুবুল আলম পিতা মরহুম আমিরুজ্জামান গ্রাম উত্তর দিঘীরপাড় থানা,বাঙ্গুরা বাজার উপজেলা মুরাদনগর জেলা কুমিল্লা সে ভাই মাসুদুল আলমের পুলিশের চাকরির প্রভাব দেখিয়ে আমাদের ভয়-ভীতি দেখায়।

এ ব্যাপারে এসবির এএসআই মাসুদুল আলম এর কাছে মোবাইল ফোনে কথা বলেন সাংবাদিক নেতা আরজেএফ সদস্য,জাতীয় সাপ্তাহিক মুক্তির চেতনায় বাংলাদেশ পত্রিকার ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক মোঃ রাজু আহমেদ সুজন। ঘটনার বিবরণ তার কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন অভিযোগকারীরা আমার আপন ফুফু এ বিষয়ে আমার ছোট ভাই মাহাবুল আলম এর সাথে কথা বলুন তাহার দেওয়া মোবাইল ফোন নাম্বারে ফোন দিলে মাহবুবুল আলম জানান এটা আমাদের ফুফুদের সাথে পারিবারিক বিষয় এ বিষয়ে আমি ফুফুদের সাথে মিট করে নেব, তাহার আশ্বাসের ভিত্তিতে ও পারিবারিক বিবেচনায় নিউজ করা থেকে বিরত থাকেন সাংবাদিক রাজু আহমেদ সুজন। ভুক্তভোগীদের দাবি সাংবাদিক ফোন দেওয়ার পরে ভাতিজা মাহবুবুল আলম আরো চড়াও হন ফুফুদের উপর বিভিন্ন রকম গালমন্দ ও প্রাণনাশের হুমকি প্রদান করেন।

এ বিষয়ে ভুক্তভোগীর বোন পিয়ারা বেগম বাঙ্গুরা বাজার থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি দায়ের করেন। জিডি নং ১০৭,তাং০৩/০৭/২০২২ইং এ বিষয়ে সাংবাদিক রাজু আহমেদ সুজন বিষয়টি মোবাইল ফোনে বাঙ্গুরা বাজার থানার অফিসার ইনচার্জের দৃষ্টি আকর্ষণ করলে তিনি বলেন, বিষয়টি যেহেতু পারিবারিক আমরা তদন্ত করে দেখছি, জিডি করার এক সপ্তাহ পরে ভুক্তভোগী ফিরোজা বেগম জানায় আমার বোন থানায় জিডি করায় বিবাদীগণ আমাকে মারধর করেছে, এবং পুলিশ বিবাদীগণের পক্ষে কাজ করছে, এ বিষয়ে পুনরায় অফিসার ইনচার্জের দৃষ্টি আকর্ষণ করলে তিনি জানায় আমরা জিডির কাগজ কোর্টে পাঠিয়ে দিয়েছি আদালতের নির্দেশ পেলে যথাযথ ব্যবস্থা নেয়া হবে। ফিরোজা বেগম তাকে মারধরের বিষয় কুমিল্লা আদালতে বাটোয়ারা ও একটি সিআর মামলা করেন বর্তমানে সেটি তদন্ত দিন। এবং সাধারণ ডায়রির বিষয় আদালতের শরণাপন্ন হলে আদালত বাংগরা বাজার থানা কে ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ প্রদান করেন।

এমতাবস্থায় মাহাবুল আলম (আল-আমিন) ফুফুদের মামলা থেকে বাঁচতে আদালতে একটি (সি আর) কাউন্টার বানোয়াট মারামারি মামলা দেন এবং ওই মামলায় তার দুই বৃদ্ধ ফুফু বৃদ্ধ ফুপা ও ঢাকায় বসবাসরত সাংবাদিক নেতা আরজেএফ সদস্য ও মুক্তির চেতনায় বাংলাদেশ পত্রিকার ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক, রাজু আহমেদ সুজন কে আসামি করেন। ভুক্তভোগী পেয়ারা বেগমের দাবি আদালত মামলাটি তদন্তের জন্য বাঙ্গরা বাজার থানায় প্রেরণ করিলে,দায়িত্বপ্রাপ্ত সাব ইন্সপেক্টর সুমন দাস অভিযুক্ত ফুফু ও ফুপা কে শক্ত ভাষায় কথা বলেন এবং বিবাদীদের বিরুদ্ধে করা মামলা আদালত থেকে তুলে নিতে বলেন।

এ বিষয়ে সাংবাদিক রাজু আহমেদ সুজন এসআই সুমন দাস কে মোবাইলে ফোন করিলে তিনি সাংবাদিক নেতা রাজু আহমেদ সুজনকে বাঙ্গরা বাজার থানায় গিয়ে দেখা করতে বলেন। এ সময় রাজু আহমেদ সুজন বলেন আমি একটা পত্রিকার ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক আমাকে সব সময় ঢাকাতেই থাকতে হয়, মাহবুবুল আলম আমার বিরুদ্ধে যে মামলা করেছেন সম্পূর্ণ বানোয়াট ভিত্তিহীন সুস্থ তদন্ত সাপেক্ষে সত্যের পক্ষে অবস্থান নিন।

আমাদের অনুসন্ধানে মূল সত্য বেরিয়ে আসবে আমরা আশাবাদী,সর্বশেষ গত ০৮/১১/২০২২ইং আমার মোবাইল থেকে বাঙ্গুরা বাজার থানার এস আই সুমন দাস কে ফোন করিলে তিনি তিনি বলেন সাংবাদিক রাজু আহমেদ সুজন কে বলবেন তাহার আইডি কার্ড নিয়ে যেন থানায় এসে দেখা করেন, ঠিকানা বিহীন কিভাবে মামলা দিল জানতে চাইলে এসআই সুমন দাশ বলেন তিনি বিবাদীদের আত্মীয় লাগেন তাই তাদের ঠিকানায় উল্লেখ করে মামলা দিয়েছেন। মামলার অভিযোগের সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন একটি বিচারে বসছে সেই বিচারের মধ্যে তিনি রাজু আহমেদ বিবাদীকে মারধর ও হুমকি প্রদান করেছেন।

প্রতিবেদন দিতে কেমন সময় লাগতে পারে জানতে চাইলে তিনি বলেন সেটা এখন বলা যাবেনা সময় লাগবে । গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার অনুমোদিত, এস এম মাল্টিমিডিয়ার চেয়ারম্যান ,সাংবাদিক রাজু আহমেদ সুজন তিনি ঢাকায় বসবাসরত ঢাকা থেকে কোথাও বের হলে তিনি এসাইমেন্ট ছাড়া বের হন না ,তাহার ১৩ বছর সাংবাদিকতার জীবনে তিনি কখনো ফৌজদারি অপরাধের সাথে জড়ায়নি।

অথচ সম্পদ লোভী মাহবুবুল আলম নিজের অপরাধ আড়াল করতে সাংবাদিকতার সম্মানহানির করার জন্য মামলা করেছেন বলে আমরা ধারণা করছি। বিষয়টি পরিষ্কারভাবে জানার জন্য মাহবুবুল আলমের বক্তব্য তুলে ধরার জন্য মোবাইল ফোনে একাধিকবার ফোন দিও তাকে পাওয়া যায়নি।
ইনশাআল্লাহ পরবর্তী রিপোর্টে থাকবে বিস্তারিত