ঢাকা ১২:২৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০১ ডিসেম্বর ২০২২, ১৭ অগ্রহায়ণ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ

ভারতকে নাস্তানাবুদ করে ফাইনালে ইংল্যান্ড

বড় ম্যাচ, বড় লক্ষ্য, প্রতিপক্ষ শক্তিশালী ভারত- কোনোকিছুই যেন ভয় ধরাতে পারেনি ইংল্যান্ড ওপেনারদের মনে। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সেমিফাইনালের মতো মঞ্চে ভারতীয় বোলারদের নিয়ে রীতিমত ছেলেখেলা করেছেন জস বাটলার ও অ্যালেক্স হেলস। তাতে কোনো উইকেট না হারিয়েই ফাইনালের টিকিট নিশ্চিত করেছে ইংল্যান্ড।

বিশ্বকাপের মহাগুরুত্বপূর্ণ সেমিফাইনালে বৃহস্পতিবার ভারতের মুখোমুখি হয়েছে ইংল্যান্ড। অ্যাডিলেড ওভালের ম্যাচে প্রথম ইনিংস শেষে ইংলিশদের ১৬৯ রানের চ্যালেঞ্জ দিয়েছিল ভারত। ২৪ বল হাতে রেখে ১০ উইকেটে সে ম্যাচ জিতেছে জস বাটলারের দল।

দাপুটে এ জয়ে তৃতীয়বারের মতো ক্ষুদ্রতম ফরম্যাটের বিশ্বকাপ ফাইনালে উঠেছে ইংলিশরা। ফাইনালে তাদের প্রতিপক্ষ পাকিস্তান। নিউজিল্যান্ডকে উড়িয়ে গতকাল ফাইনালের টিকিট কেটেছে বাবর আজমের দল।

২০১০ সালে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের তৃতীয় আসরে একবার শিরোপা জিতেছিল ইংল্যান্ড। এরপর ৬ বছর পর ভারত বিশ্বকাপে আবারও শিরোপার মঞ্চে আসে ইয়ন মরগানের দল। কিন্তু কার্লোস ব্রাথওয়েটের ঝড়ে সেবার শেষ ওভারে হারে ইংলিশরা।

অ্যাডিলেডের সেমিফাইনালে টস জিতে শুরুতে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয় ইংল্যান্ড। অধিনায়কের মান রেখেছেন ইংলিশ পেসাররা। পাওয়ারপ্লেতে ভারতীয় ব্যাটারদের চড়াও হওয়ার কোনো সুযোগই দেননি স্যাম কারান-ক্রিস ওকসরা।

দ্বিতীয় উইকেটে কোহলির সঙ্গে ৪৭ রানের জুটি গড়েন রোহিত। ভারতের অধিনায়ককে ফিরিয়ে সে জুটি ভাঙেন ক্রিস জর্ডান। বড় স্কোর করতে পারেননি সুর্যকুমার যাদবও। ১০ বলে ১৪ রান করে ফিরেছেন আদিল রশিদের বলে।

চতুর্থ উইকেটে হার্দিক পান্ডিয়াকে নিয়ে বড় জুটি গড়েন কোহলি। ৩৯ বলে ফিফটি তুলে নিয়ে পরের বলে আউট হন ডানহাতি এ ব্যাটার। শেষদিকে ব্যাট হাতে ঝড় তোলেন হার্দিক পান্ডিয়া। তার ৩৩ বলে ৬৩ রানের ইনিংসে ১৬৮ রানের সংগ্রহ পেয়ে যায় ভারত।

বড় লক্ষ্যতাড়ায় শুরু থেকেই আগ্রাসী ব্যাটিং করেছে ইংল্যান্ড। ইংলিশ দুই ওপেনারের বিধ্বংসী ব্যাটিংয়ের সামনে পাত্তাই পায়নি ভারতীয় বোলাররা। পাওয়ারপ্লের ৬ ওভারে বিনা উইকেটে ৬৩ রান তোলেন জস বাটলার ও অ্যালেক্স হেলস।

পাওয়ারপ্লের পরেও কমেনি রানের গতি। উইকেট নেওয়া তো দূরের কথা, উইকেটের তেমন কোনো সুযোগও তৈরি করতে পারেননি ভারতীয় বোলাররা। ১৪ তম ওভারে একবার বাটলারের ক্যাচ উঠলেও তালুবন্দী করতে পারেননি সুর্যকুমার যাদব। বড় মঞ্চে অসহায়ত্বকে সঙ্গী করে মাঠ ছাড়ে ভারত।

৪ চার ও ৭ ছয়ে ৮৭ রান করে ম্যাচসেরার পুরষ্কার জিতেছেন ইংল্যান্ড ওপেনার অ্যালেক্স হেলস। ৮৯ বলে ৮০ রান করে উইকেটের অপর প্রান্তে অপরাজিত ছিলেন বাটলার।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published.

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

ভারতকে নাস্তানাবুদ করে ফাইনালে ইংল্যান্ড

আপডেট সময় ০৫:৩৭:২৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ নভেম্বর ২০২২

বড় ম্যাচ, বড় লক্ষ্য, প্রতিপক্ষ শক্তিশালী ভারত- কোনোকিছুই যেন ভয় ধরাতে পারেনি ইংল্যান্ড ওপেনারদের মনে। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সেমিফাইনালের মতো মঞ্চে ভারতীয় বোলারদের নিয়ে রীতিমত ছেলেখেলা করেছেন জস বাটলার ও অ্যালেক্স হেলস। তাতে কোনো উইকেট না হারিয়েই ফাইনালের টিকিট নিশ্চিত করেছে ইংল্যান্ড।

বিশ্বকাপের মহাগুরুত্বপূর্ণ সেমিফাইনালে বৃহস্পতিবার ভারতের মুখোমুখি হয়েছে ইংল্যান্ড। অ্যাডিলেড ওভালের ম্যাচে প্রথম ইনিংস শেষে ইংলিশদের ১৬৯ রানের চ্যালেঞ্জ দিয়েছিল ভারত। ২৪ বল হাতে রেখে ১০ উইকেটে সে ম্যাচ জিতেছে জস বাটলারের দল।

দাপুটে এ জয়ে তৃতীয়বারের মতো ক্ষুদ্রতম ফরম্যাটের বিশ্বকাপ ফাইনালে উঠেছে ইংলিশরা। ফাইনালে তাদের প্রতিপক্ষ পাকিস্তান। নিউজিল্যান্ডকে উড়িয়ে গতকাল ফাইনালের টিকিট কেটেছে বাবর আজমের দল।

২০১০ সালে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের তৃতীয় আসরে একবার শিরোপা জিতেছিল ইংল্যান্ড। এরপর ৬ বছর পর ভারত বিশ্বকাপে আবারও শিরোপার মঞ্চে আসে ইয়ন মরগানের দল। কিন্তু কার্লোস ব্রাথওয়েটের ঝড়ে সেবার শেষ ওভারে হারে ইংলিশরা।

অ্যাডিলেডের সেমিফাইনালে টস জিতে শুরুতে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয় ইংল্যান্ড। অধিনায়কের মান রেখেছেন ইংলিশ পেসাররা। পাওয়ারপ্লেতে ভারতীয় ব্যাটারদের চড়াও হওয়ার কোনো সুযোগই দেননি স্যাম কারান-ক্রিস ওকসরা।

দ্বিতীয় উইকেটে কোহলির সঙ্গে ৪৭ রানের জুটি গড়েন রোহিত। ভারতের অধিনায়ককে ফিরিয়ে সে জুটি ভাঙেন ক্রিস জর্ডান। বড় স্কোর করতে পারেননি সুর্যকুমার যাদবও। ১০ বলে ১৪ রান করে ফিরেছেন আদিল রশিদের বলে।

চতুর্থ উইকেটে হার্দিক পান্ডিয়াকে নিয়ে বড় জুটি গড়েন কোহলি। ৩৯ বলে ফিফটি তুলে নিয়ে পরের বলে আউট হন ডানহাতি এ ব্যাটার। শেষদিকে ব্যাট হাতে ঝড় তোলেন হার্দিক পান্ডিয়া। তার ৩৩ বলে ৬৩ রানের ইনিংসে ১৬৮ রানের সংগ্রহ পেয়ে যায় ভারত।

বড় লক্ষ্যতাড়ায় শুরু থেকেই আগ্রাসী ব্যাটিং করেছে ইংল্যান্ড। ইংলিশ দুই ওপেনারের বিধ্বংসী ব্যাটিংয়ের সামনে পাত্তাই পায়নি ভারতীয় বোলাররা। পাওয়ারপ্লের ৬ ওভারে বিনা উইকেটে ৬৩ রান তোলেন জস বাটলার ও অ্যালেক্স হেলস।

পাওয়ারপ্লের পরেও কমেনি রানের গতি। উইকেট নেওয়া তো দূরের কথা, উইকেটের তেমন কোনো সুযোগও তৈরি করতে পারেননি ভারতীয় বোলাররা। ১৪ তম ওভারে একবার বাটলারের ক্যাচ উঠলেও তালুবন্দী করতে পারেননি সুর্যকুমার যাদব। বড় মঞ্চে অসহায়ত্বকে সঙ্গী করে মাঠ ছাড়ে ভারত।

৪ চার ও ৭ ছয়ে ৮৭ রান করে ম্যাচসেরার পুরষ্কার জিতেছেন ইংল্যান্ড ওপেনার অ্যালেক্স হেলস। ৮৯ বলে ৮০ রান করে উইকেটের অপর প্রান্তে অপরাজিত ছিলেন বাটলার।