ঢাকা ০৯:৩৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২৩, ১৫ মাঘ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
কটিয়াদীতে নাইট মিনি ফুটবল প্রীতি ম্যাচ অনুষ্ঠিত আজমিরীগঞ্জে জাকজমকভাবে ৫ শতাধিক মন্ডপে বিদ্যাদেবী সরস্বতী পুজা অনুষ্ঠিত রাজধানীতে পৃথক দুর্ঘটনায় দুই শিশুসহ নিহত-৩ লোহাগাড়া থানা পুলিশের অভিযানে ৩ টি বিপন্ন প্রাণী সহ আটক ৪ বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন পূরণে প্রধানমন্ত্রী প্রযুক্তি নির্ভর শিক্ষার ডিজিটাল প্লাটফর্ম তৈরী করেছেন প্রাচীন নিদর্শন ৩ গম্বুজ দেওগাঁ জামে মসজিদ কিশোরগঞ্জে ফরহাদ গ্যাংয়ের ৩ সদস্য আটক কুমিল্লা চৌদ্দগ্রামে ট্রাক চাপায় মোটরসাইকেল আরোহী নিহত চট্টগ্রাম মতি টাওয়ার মতি কমপ্লেক্স ট্রাভেলস এজেন্সি এসোসিয়েশনের মাসিক সভা-২০২৩ হবিগঞ্জের জীবন সংগ্রামী তরুণ নেজামুল হক

মিজারেবল হাসবেন্ড সিনড্রোম কী?

আপনার স্বামী কি সব সময় কোনো না কোনো কারণে বিরক্ত, উদ্বিগ্ন বা হতাশ থাকে? মানসিক চাপ, অনিদ্রা, হরমোনের ভারসাম্যহীনতা ইত্যাদি কারণে এমনটা হতে পারে। নেতিবাচক এই দিকগুলো মানুষকে চূড়ান্ত হতাশ করে দিতে পারে। যার প্রভাব পড়ে ব্যক্তিজীবন ও সম্পর্কের ক্ষেত্রেও। মানসিক চাপ ও উদ্বিগ্নতার কারণে আপনার স্বামী হতাশ বোধ করতে পারে। এই সমস্যা থেকে তাকে মুক্ত করে আনতে এই সিনড্রোমের মূল কারণ সম্পর্কে জানতে হবে-

মিজারেবল হাসবেন্ড সিনড্রোম- এর কারণ কী?

দাম্পত্য জীবনে যেভাবে প্রভাব ফেলে

আপনার সব কাজে ত্রুটি খুঁজে বের করলে

আপনার স্বামী সব সময় আপনার ভেতরে ত্রুটি খুঁজে বের করে। আপনি যাই করুন না কেন তাতেই সে বিরক্ত হবে এবং আপনার সবকিছুতেই অভিযোগ করবে। শেষ পর্যন্ত আপনি বুঝতে পারবেন, যাই করুন না কেন তাকে খুশি বা সন্তুষ্ট করা সম্ভব নয়।

আপনাকে এড়িয়ে চললে

সে যদি আপনার প্রতি কোনো মনোযোগ না দেয় বা আপনাকে এড়িয়ে চলতে থাকে তবে এটি মিজারেবল হাসবেন্ড সিনড্রোম- এর অন্যতম লক্ষণ হতে পারে। আপনার সব রকম প্রচেষ্টা থাকার পরেও সে একইভাবে উদাসীন থাকতে পারে।

বেশিরভাগ সময় ঝগড়া করলে

আপনার স্বামী যদি খুব বেশি হতাশ থাকে তবে সে আপনার সঙ্গে ঝগরা করার উপায় খুঁজতে থাকবে। তার সমস্ত রাগ, হতাশা আপনার ওপর চাপাতে চেষ্টা করবে। সাধারণ কথপোকথনকেই সে ঝগড়ায় পরিণত করবে এবং আপনাকে আঘাত করার উপায় খুঁজতে থাকবে। যেন সব দোষ আপনার ওপরে চাপাতে পারে সেই সুযোগ খুঁজতে থাকবে।

ভবিষ্যৎ নিয়ে কথা বলতে না চাইলে

এই সিনড্রোমে ভুগলে আপনার স্বামী আপনাদের ভবিষ্যৎ নিয়ে কোনোরকম কথা বলতে চাইবে না। ভবিষ্যৎ নিয়ে কথা বলা ও পরিকল্পনা সাজানো প্রত্যেক দম্পতির ক্ষেত্রেই স্বাভাবিক। কিন্তু আপনার স্বামী যদি বিষয়টি সব সময় এড়িয়ে যেতে চায়, এই প্রসঙ্গ উঠলেই যে করে হোক কথার মোড় ঘুরিয়ে দেয়, তাহলে তার সঙ্গে মুখোমুখি বসে কথা বলা জরুরি।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published.

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

কটিয়াদীতে নাইট মিনি ফুটবল প্রীতি ম্যাচ অনুষ্ঠিত

মিজারেবল হাসবেন্ড সিনড্রোম কী?

আপডেট সময় ০৯:৪৬:১৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৮ নভেম্বর ২০২২

আপনার স্বামী কি সব সময় কোনো না কোনো কারণে বিরক্ত, উদ্বিগ্ন বা হতাশ থাকে? মানসিক চাপ, অনিদ্রা, হরমোনের ভারসাম্যহীনতা ইত্যাদি কারণে এমনটা হতে পারে। নেতিবাচক এই দিকগুলো মানুষকে চূড়ান্ত হতাশ করে দিতে পারে। যার প্রভাব পড়ে ব্যক্তিজীবন ও সম্পর্কের ক্ষেত্রেও। মানসিক চাপ ও উদ্বিগ্নতার কারণে আপনার স্বামী হতাশ বোধ করতে পারে। এই সমস্যা থেকে তাকে মুক্ত করে আনতে এই সিনড্রোমের মূল কারণ সম্পর্কে জানতে হবে-

মিজারেবল হাসবেন্ড সিনড্রোম- এর কারণ কী?

দাম্পত্য জীবনে যেভাবে প্রভাব ফেলে

আপনার সব কাজে ত্রুটি খুঁজে বের করলে

আপনার স্বামী সব সময় আপনার ভেতরে ত্রুটি খুঁজে বের করে। আপনি যাই করুন না কেন তাতেই সে বিরক্ত হবে এবং আপনার সবকিছুতেই অভিযোগ করবে। শেষ পর্যন্ত আপনি বুঝতে পারবেন, যাই করুন না কেন তাকে খুশি বা সন্তুষ্ট করা সম্ভব নয়।

আপনাকে এড়িয়ে চললে

সে যদি আপনার প্রতি কোনো মনোযোগ না দেয় বা আপনাকে এড়িয়ে চলতে থাকে তবে এটি মিজারেবল হাসবেন্ড সিনড্রোম- এর অন্যতম লক্ষণ হতে পারে। আপনার সব রকম প্রচেষ্টা থাকার পরেও সে একইভাবে উদাসীন থাকতে পারে।

বেশিরভাগ সময় ঝগড়া করলে

আপনার স্বামী যদি খুব বেশি হতাশ থাকে তবে সে আপনার সঙ্গে ঝগরা করার উপায় খুঁজতে থাকবে। তার সমস্ত রাগ, হতাশা আপনার ওপর চাপাতে চেষ্টা করবে। সাধারণ কথপোকথনকেই সে ঝগড়ায় পরিণত করবে এবং আপনাকে আঘাত করার উপায় খুঁজতে থাকবে। যেন সব দোষ আপনার ওপরে চাপাতে পারে সেই সুযোগ খুঁজতে থাকবে।

ভবিষ্যৎ নিয়ে কথা বলতে না চাইলে

এই সিনড্রোমে ভুগলে আপনার স্বামী আপনাদের ভবিষ্যৎ নিয়ে কোনোরকম কথা বলতে চাইবে না। ভবিষ্যৎ নিয়ে কথা বলা ও পরিকল্পনা সাজানো প্রত্যেক দম্পতির ক্ষেত্রেই স্বাভাবিক। কিন্তু আপনার স্বামী যদি বিষয়টি সব সময় এড়িয়ে যেতে চায়, এই প্রসঙ্গ উঠলেই যে করে হোক কথার মোড় ঘুরিয়ে দেয়, তাহলে তার সঙ্গে মুখোমুখি বসে কথা বলা জরুরি।