ঢাকা ০১:৪৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০১ ডিসেম্বর ২০২২, ১৭ অগ্রহায়ণ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ

নিরাপদ রিজার্ভ গড়ে তোলার জন্য আইএমএফের ঋণ : বাণিজ্যমন্ত্রী

বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি বলেছেন, দেশের স্বার্থ রক্ষা করে আইএমএফের ঋণ নেওয়া হবে। প্রয়োজনীয় শর্ত অর্থ মন্ত্রণালয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা করছে। আইএমএফের ঋণ নিলে দেশের রিজার্ভে কোনো প্রভাব পড়বে না। 

শনিবার সকালে রংপুরে লেক ভিউ পার্ক সিটি এলাকায় সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে বণিজ্যমন্ত্রী বলেন, করোনার প্রভাব, ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধ ইস্যু এগুলোর জন্য মানুষ অর্থনৈতিকভাবে খুব চাপে পড়েছে। পাশাপাশি আমাদের দেশে যে পোশাক উৎপাদন করি সেটা হলো সাধারণ মানুষের জন্য। এ ধরনের পোশাক সেলসে কোনো ক্ষতি হয় না। সামান্য পরিবর্তন হতে পারে। আশা করি জানুয়ারির পর থেকে ধীরগতি কভার হয়ে যাবে।

নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নে জবাবে তিনি বলেন, বিশ্ববাজারে একটু দাম বেড়ে যাওয়ায় এক শ্রেণির অসাধু ব্যবসায়ী সিন্ডিকেট তৈরি করে বাজারকে অস্থিতিশীল করার অপচেষ্টা করছে। সেজন্য বাণিজ্য মন্ত্রণালয়সহ সরকারের অন্য দপ্তরগুলো সজাগ রয়েছে এবং কাজ করে যাচ্ছে।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published.

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

নিরাপদ রিজার্ভ গড়ে তোলার জন্য আইএমএফের ঋণ : বাণিজ্যমন্ত্রী

আপডেট সময় ০৯:০৯:৪৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৬ নভেম্বর ২০২২

বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি বলেছেন, দেশের স্বার্থ রক্ষা করে আইএমএফের ঋণ নেওয়া হবে। প্রয়োজনীয় শর্ত অর্থ মন্ত্রণালয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা করছে। আইএমএফের ঋণ নিলে দেশের রিজার্ভে কোনো প্রভাব পড়বে না। 

শনিবার সকালে রংপুরে লেক ভিউ পার্ক সিটি এলাকায় সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে বণিজ্যমন্ত্রী বলেন, করোনার প্রভাব, ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধ ইস্যু এগুলোর জন্য মানুষ অর্থনৈতিকভাবে খুব চাপে পড়েছে। পাশাপাশি আমাদের দেশে যে পোশাক উৎপাদন করি সেটা হলো সাধারণ মানুষের জন্য। এ ধরনের পোশাক সেলসে কোনো ক্ষতি হয় না। সামান্য পরিবর্তন হতে পারে। আশা করি জানুয়ারির পর থেকে ধীরগতি কভার হয়ে যাবে।

নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নে জবাবে তিনি বলেন, বিশ্ববাজারে একটু দাম বেড়ে যাওয়ায় এক শ্রেণির অসাধু ব্যবসায়ী সিন্ডিকেট তৈরি করে বাজারকে অস্থিতিশীল করার অপচেষ্টা করছে। সেজন্য বাণিজ্য মন্ত্রণালয়সহ সরকারের অন্য দপ্তরগুলো সজাগ রয়েছে এবং কাজ করে যাচ্ছে।