ঢাকা ০৩:০০ অপরাহ্ন, শনিবার, ১০ ডিসেম্বর ২০২২, ২৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ

একদিনে আক্রান্ত ২ লাখ ৩০ হাজারের ওপর, মৃত্যু ৮৬৬

মহামারির আড়াই বছর পেরিয়ে গেলেও শ্বাসতন্ত্রের প্রাণঘাতী রোগ করোনায় বিশ্বজুড়ে অব্যাহত আছে দৈনিক সংক্রমণ ও মৃত্যু। তবে মহামারির প্রথম দুই বছর ২০২০ ও ’২১ সালের তুলনায় চলতি বছর অনেকটাই কমে এসেছে এ রোগে আক্রান্ত হওয়া ও প্রাণহানির হার।

শুক্রবার বিশ্বে করোনা পজিটিভ হিসেবে শনাক্ত হয়েছেন ২ লাখ ৩১ হাজার ৩০৬ জন এবং কোভিডজনিত অসুস্থতায় ভুগে মৃত্যু হয়েছে ৮৬৬ জনের। এছাড়া এইদিন করোনা থেকে সুস্থ হয়ে উঠেছেন ৩ লাখ ৭৪ হাজার ৪১৪ জন।

শুক্রবার করোনায় বিশ্বজুড়ে দৈনিক আক্রান্তের হিসেবে শীর্ষে ছিল দক্ষিণ কোরিয়া; আর এই দিন কোভিডজনিত অসুস্থতায় সবচেয়ে বেশি মৃত্যু হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রে। দক্ষিণ কোরিয়ায় শুক্রবার করোনা পজিটিভ হিসেবে শনাক্ত হয়েছেন ৪৩ হাজার ৪২৪ জন এবং এ রোগে মারা গেছেন ৩৫ জন।

অন্যদিকে, একই দিন যুক্তরাষ্ট্রে কোভিডজনিত অসুস্থতায় মৃত্যু হয়েছে ১৪৮ জনের এবং করোনা পজিটিভ হিসেবে শনাক্ত হয়েছেন ২১ হাজার ৩১২ জন।

দক্ষিণ কোরিয়া ও যুক্তরাষ্ট্র ব্যতীত আরও যেসব দেশে শুক্রবার সংক্রমণ-মৃত্যুর উচ্চহার দেখা গেছে, সেসব হলো— জাপান (নতুন আক্রান্ত ৩৪ হাজার ৬৪ জন, ‍মৃত ৫৯ জন), ফ্রান্স (নতুন আক্রান্ত ২৯ হাজার ৪৩৮ জন, মৃত ৭৮ জন), তাইওয়ান (নতুন আক্রান্ত ২৭ হাজার ৫৯৪ জন, মৃত ৭৪ জন), রাশিয়া (মৃত ৭১ জন, আক্রান্ত ৬ হাজার ১৫৪ জন), ব্রাজিল ( মৃত ৬৮ জন, নতুন আক্রান্ত ২ হাজার ৭৩৮ জন) এবং অস্ট্রেলিয়া (মৃত ৫৯ জন, নতুন আক্রান্ত ১৫ হাজার ৬১৮ জন)।

বিশ্বে বর্তমানে সক্রিয় করোনা রোগীর সংখ্যা ১ কোটি ৩৯ লাখ ৪৬ হাজার ১০৭ জন। এই রোগীদের মধ্যে করোনার মৃদু উপসর্গ বহন করছেন ১ কোটি ৩৯ লাখ ১০ হাজার ৪৪ জন এবং গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় রয়েছেন ৩৬ হাজার ৬৩ জন।

২০১৯ সালের ডিসেম্বরে চীনের হুবেই প্রদেশের উহান শহরে বিশ্বের প্রথম করোনায় আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয়। করোনায় প্রথম মৃত্যুর ঘটনাটিও ঘটেছিল চীনে।

তারপর অত্যন্ত দ্রুতগতিতে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ছড়িয়ে পড়তে শুরু করে প্রাণঘাতী এই ভাইরাসটি। পরিস্থিতি সামাল দিতে ২০২০ সালের ২০ জানুয়ারি বিশ্বজুড়ে জরুরি অবস্থা জারি করে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)।

কিন্তু তাতেও অবস্থার উন্নতি না হওয়ায় অবশেষে ওই বছরের ১১ মার্চ করোনাকে মহামারি হিসেবে ঘোষণা করে ডব্লিউএইচও।

আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, মহামারি শুরুর পর থেকে এ পর্যন্ত বিশ্বে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন মোট ৬৩ কোটি ৭২ লাখ ৪৩ হাজার ২৩৯ জন এবং এ রোগে মৃত্যু হয়েছে মোট ৬৬ লাখ ৪ হাজার ২৭২ জনের।

এছাড়া গত আড়াই বছরে করোনায় আক্রান্ত হওয়ার পর সুস্থ হয়ে উঠেছেন মোট ৬১ কোটি ৬৭ লাখ ৩২ হাজার ৮৬০ জন।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published.

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

একদিনে আক্রান্ত ২ লাখ ৩০ হাজারের ওপর, মৃত্যু ৮৬৬

আপডেট সময় ১০:৩৪:৪৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৫ নভেম্বর ২০২২

মহামারির আড়াই বছর পেরিয়ে গেলেও শ্বাসতন্ত্রের প্রাণঘাতী রোগ করোনায় বিশ্বজুড়ে অব্যাহত আছে দৈনিক সংক্রমণ ও মৃত্যু। তবে মহামারির প্রথম দুই বছর ২০২০ ও ’২১ সালের তুলনায় চলতি বছর অনেকটাই কমে এসেছে এ রোগে আক্রান্ত হওয়া ও প্রাণহানির হার।

শুক্রবার বিশ্বে করোনা পজিটিভ হিসেবে শনাক্ত হয়েছেন ২ লাখ ৩১ হাজার ৩০৬ জন এবং কোভিডজনিত অসুস্থতায় ভুগে মৃত্যু হয়েছে ৮৬৬ জনের। এছাড়া এইদিন করোনা থেকে সুস্থ হয়ে উঠেছেন ৩ লাখ ৭৪ হাজার ৪১৪ জন।

শুক্রবার করোনায় বিশ্বজুড়ে দৈনিক আক্রান্তের হিসেবে শীর্ষে ছিল দক্ষিণ কোরিয়া; আর এই দিন কোভিডজনিত অসুস্থতায় সবচেয়ে বেশি মৃত্যু হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রে। দক্ষিণ কোরিয়ায় শুক্রবার করোনা পজিটিভ হিসেবে শনাক্ত হয়েছেন ৪৩ হাজার ৪২৪ জন এবং এ রোগে মারা গেছেন ৩৫ জন।

অন্যদিকে, একই দিন যুক্তরাষ্ট্রে কোভিডজনিত অসুস্থতায় মৃত্যু হয়েছে ১৪৮ জনের এবং করোনা পজিটিভ হিসেবে শনাক্ত হয়েছেন ২১ হাজার ৩১২ জন।

দক্ষিণ কোরিয়া ও যুক্তরাষ্ট্র ব্যতীত আরও যেসব দেশে শুক্রবার সংক্রমণ-মৃত্যুর উচ্চহার দেখা গেছে, সেসব হলো— জাপান (নতুন আক্রান্ত ৩৪ হাজার ৬৪ জন, ‍মৃত ৫৯ জন), ফ্রান্স (নতুন আক্রান্ত ২৯ হাজার ৪৩৮ জন, মৃত ৭৮ জন), তাইওয়ান (নতুন আক্রান্ত ২৭ হাজার ৫৯৪ জন, মৃত ৭৪ জন), রাশিয়া (মৃত ৭১ জন, আক্রান্ত ৬ হাজার ১৫৪ জন), ব্রাজিল ( মৃত ৬৮ জন, নতুন আক্রান্ত ২ হাজার ৭৩৮ জন) এবং অস্ট্রেলিয়া (মৃত ৫৯ জন, নতুন আক্রান্ত ১৫ হাজার ৬১৮ জন)।

বিশ্বে বর্তমানে সক্রিয় করোনা রোগীর সংখ্যা ১ কোটি ৩৯ লাখ ৪৬ হাজার ১০৭ জন। এই রোগীদের মধ্যে করোনার মৃদু উপসর্গ বহন করছেন ১ কোটি ৩৯ লাখ ১০ হাজার ৪৪ জন এবং গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় রয়েছেন ৩৬ হাজার ৬৩ জন।

২০১৯ সালের ডিসেম্বরে চীনের হুবেই প্রদেশের উহান শহরে বিশ্বের প্রথম করোনায় আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয়। করোনায় প্রথম মৃত্যুর ঘটনাটিও ঘটেছিল চীনে।

তারপর অত্যন্ত দ্রুতগতিতে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ছড়িয়ে পড়তে শুরু করে প্রাণঘাতী এই ভাইরাসটি। পরিস্থিতি সামাল দিতে ২০২০ সালের ২০ জানুয়ারি বিশ্বজুড়ে জরুরি অবস্থা জারি করে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)।

কিন্তু তাতেও অবস্থার উন্নতি না হওয়ায় অবশেষে ওই বছরের ১১ মার্চ করোনাকে মহামারি হিসেবে ঘোষণা করে ডব্লিউএইচও।

আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, মহামারি শুরুর পর থেকে এ পর্যন্ত বিশ্বে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন মোট ৬৩ কোটি ৭২ লাখ ৪৩ হাজার ২৩৯ জন এবং এ রোগে মৃত্যু হয়েছে মোট ৬৬ লাখ ৪ হাজার ২৭২ জনের।

এছাড়া গত আড়াই বছরে করোনায় আক্রান্ত হওয়ার পর সুস্থ হয়ে উঠেছেন মোট ৬১ কোটি ৬৭ লাখ ৩২ হাজার ৮৬০ জন।