ঢাকা ০১:২৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ নভেম্বর ২০২২, ১৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
প্রেমের বিয়েতে বাধা, অভিভাবকের সাথে অভিমান করে আত্মহত্যার চেস্টা ফরিদগঞ্জের পাইকপাড়া দক্ষিণ ইউনিয়নের চেয়ারম্যান হলেন ছাত্রলীগনেতা রাজন শেখ বোরহানউদ্দিন কুঞ্জেরহাটে গ্রামীণফোন সেন্টারের শুভ উদ্বোধন রূপগঞ্জ থানা ছাত্রলীগ”নেতৃত্বে স্থলাভিষিক্ত হলেন মাদক সম্রাট রিয়াজ কাপুরুষ-হিংসুকদের গুরুত্ব দিও না, নেইমারকে উপদেশ রোনালদোর সুইসদের বিপক্ষে যেমন হতে পারে ব্রাজিলের একাদশ ছয় গোলের ম্যাচে ক্যামেরুনের এক পয়েন্ট করোনায় একজনের মৃত্যু, শনাক্ত ২৯ রেজাল্টের পরও মিষ্টি বিক্রির ধুম নেই, হতাশ দোকানিরা বিশেষ পরিস্থিতিতে তেল, গ্যাস ও বিদ্যুতের দাম বাড়াতে পারবে সরকার

সংবিধানের মর্যাদা অক্ষুণ্ণ রাখতে রাষ্ট্রপতির আহ্বান

গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ ও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় সংবিধানের মর্যাদা অক্ষুণ্ণ রাখতে দেশের জনগণের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ।

‘জাতীয় সংবিধান দিবস’ উপলক্ষে দেওয়া এক বাণীতে তিনি এ আহ্বান জানান। জাতীয় সংবিধান দিবস বাঙালি জাতির ইতিহাসে একটি তাৎপর্যপূর্ণ ও স্মরণীয় দিন উল্লেখ করে রাষ্ট্রপতি বলেন, ১৯৭২ সালের এই দিনে গণপরিষদে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান গৃহীত হয়। সংবিধান একটি রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি এবং জনগণের মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করার পাশাপাশি রাষ্ট্রের নির্বাহী বিভাগ, আইন সভা ও বিচার বিভাগের কার্যপরিধিসহ সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানগুলোর নিয়ামক দলিল।

জাতীয় সংবিধান দিবস উপলক্ষে তিনি পরম শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে। যার নেতৃত্ব ও ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় স্বাধীনতার পর খুব কম সময়ের মধ্যে জনপ্রতিনিধিদের মধ্যে আলোচনা ও তাঁদের মতামতের ভিত্তিতে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান রচিত হয়েছিল।

আবদুল হামিদ বলেন, ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা, ১৬ ডিসেম্বর বিজয় অর্জন এবং ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর পূর্ণাঙ্গ সংবিধান কার্যকরী হওয়ার মধ্যবর্তী সময়ে (ক) স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র ১০ এপ্রিল, ১৯৭১; এবং (খ) বাংলাদেশের অস্থায়ী শাসনতন্ত্র আদেশ, ১৯৭২; ১১ জানুয়ারি, ১৯৭২ এ দু’টি অন্তর্বর্তীকালীন সংবিধান ছিল।

তিনি বলেন, বিজয় অর্জনের এক বছরের মধ্যেই বঙ্গবন্ধু দেশকে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান উপহার দেন যা পৃথিবীর ইতিহাসে খুবই বিরল। বাংলাদেশের সংবিধান পৃথিবীর সুলিখিত সংবিধানগুলোর মধ্যে অন্যতম।

সংবিধানের মূলনীতি অনুসরণের মাধ্যমে ক্ষুধা ও দারিদ্র্যমুক্ত সুখী-সমৃদ্ধ সোনার বাংলাদেশ গড়ার যে স্বপ্ন জাতির পিতা দেখেছিলেন, তা বাস্তবায়নে এগিয়ে আসার জন্য তিনি সবার প্রতি আহ্বান জানান। রাষ্ট্রপতি জাতীয় সংবিধান দিবসের সাফল্য কামনা করেন।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published.

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

প্রেমের বিয়েতে বাধা, অভিভাবকের সাথে অভিমান করে আত্মহত্যার চেস্টা

সংবিধানের মর্যাদা অক্ষুণ্ণ রাখতে রাষ্ট্রপতির আহ্বান

আপডেট সময় ১১:১৮:২৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৪ নভেম্বর ২০২২

গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ ও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় সংবিধানের মর্যাদা অক্ষুণ্ণ রাখতে দেশের জনগণের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ।

‘জাতীয় সংবিধান দিবস’ উপলক্ষে দেওয়া এক বাণীতে তিনি এ আহ্বান জানান। জাতীয় সংবিধান দিবস বাঙালি জাতির ইতিহাসে একটি তাৎপর্যপূর্ণ ও স্মরণীয় দিন উল্লেখ করে রাষ্ট্রপতি বলেন, ১৯৭২ সালের এই দিনে গণপরিষদে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান গৃহীত হয়। সংবিধান একটি রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি এবং জনগণের মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করার পাশাপাশি রাষ্ট্রের নির্বাহী বিভাগ, আইন সভা ও বিচার বিভাগের কার্যপরিধিসহ সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানগুলোর নিয়ামক দলিল।

জাতীয় সংবিধান দিবস উপলক্ষে তিনি পরম শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে। যার নেতৃত্ব ও ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় স্বাধীনতার পর খুব কম সময়ের মধ্যে জনপ্রতিনিধিদের মধ্যে আলোচনা ও তাঁদের মতামতের ভিত্তিতে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান রচিত হয়েছিল।

আবদুল হামিদ বলেন, ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা, ১৬ ডিসেম্বর বিজয় অর্জন এবং ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর পূর্ণাঙ্গ সংবিধান কার্যকরী হওয়ার মধ্যবর্তী সময়ে (ক) স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র ১০ এপ্রিল, ১৯৭১; এবং (খ) বাংলাদেশের অস্থায়ী শাসনতন্ত্র আদেশ, ১৯৭২; ১১ জানুয়ারি, ১৯৭২ এ দু’টি অন্তর্বর্তীকালীন সংবিধান ছিল।

তিনি বলেন, বিজয় অর্জনের এক বছরের মধ্যেই বঙ্গবন্ধু দেশকে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান উপহার দেন যা পৃথিবীর ইতিহাসে খুবই বিরল। বাংলাদেশের সংবিধান পৃথিবীর সুলিখিত সংবিধানগুলোর মধ্যে অন্যতম।

সংবিধানের মূলনীতি অনুসরণের মাধ্যমে ক্ষুধা ও দারিদ্র্যমুক্ত সুখী-সমৃদ্ধ সোনার বাংলাদেশ গড়ার যে স্বপ্ন জাতির পিতা দেখেছিলেন, তা বাস্তবায়নে এগিয়ে আসার জন্য তিনি সবার প্রতি আহ্বান জানান। রাষ্ট্রপতি জাতীয় সংবিধান দিবসের সাফল্য কামনা করেন।