ঢাকা ০১:১৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০১ ডিসেম্বর ২০২২, ১৭ অগ্রহায়ণ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ

সাবেক স্বামীর বিরুদ্ধে করা মামলা তুলে নিলেন মিলা

দেনমোহর ও খোরপোশ চেয়ে সাবেক স্বামী এস এম পারভেজ সানজারীর বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলা প্রত্যাহার করেছেন কণ্ঠশিল্পী তাসবিহা বিনতে শহিদ মিলা। 

বৃহস্পতিবার (২৭ অক্টোবর) ঢাকার পারিবারিক আদালতে মামলাটির প্রত্যাহার চেয়ে আবেদন করেন তিনি। এরপর ঢাকার দ্বিতীয় সিনিয়র সহকারী জজ ও পারিবারিক আদালতের বিচারক দুরদানা রহমান আবেদনটি মঞ্জুর করেন। সংশ্লিষ্ট আদালতের বেঞ্চ সহকারী মাসুদ বিষয়টি জানিয়েছেন।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ২০১৭ সালের ১২ মে পারভেজ সানজারীর সঙ্গে কণ্ঠশিল্পী মিলার বিয়ে হয়। বিয়েতে ২৫ লাখ টাকা দেনমোহর ধার্য করা হয়৷ এ ছাড়া বিয়ের সময় মিলার বাবা-মা তাকে স্বর্ণের অলংকারসহ ৩০ লাখ টাকার আসবাবপত্র দেন। বিয়ের পর বিবাদী পারভেজ প্রায় সময় মিলার কাছে যৌতুক দাবি করেন। তাকে মানসিক ও শারীরিকভাবে নির্যাতন করেন।

২০১৭ সালের ১৬ জুন বিবাদী পারভেজ মিলার কাছে থেকে পাঁচ লাখ টাকা নেন৷ পরে যৌতুক হিসাবে দশ লাখ টাকা দাবি করে চাপ সৃষ্টি করেন। তবে টাকা দিতে অপারগতা প্রকাশ করায় মিলার ওপর পারভেজ শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন বাড়িয়ে দেন। এ ঘটনায় উত্তরা পশ্চিম থানায় একটা মামলা হয়। পরে ২০১৮ সালের ৩১ জানুয়ারি পারভেজ মিলাকে তালাক দেন। এরপর মিলা দেনমোহর ও খোরপোশের টাকা চাইলে পারভেজ তা দিতে অস্বীকার করেন।

২০১৯ সালের ৫ আগস্ট দেনমোহর ও খোরপোশ বাবদ ৬৭ লাখ টাকা আদায়ের জন্য ঢাকার পারিবারিক আদালতে মামলা করেন মিলা।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published.

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

সাবেক স্বামীর বিরুদ্ধে করা মামলা তুলে নিলেন মিলা

আপডেট সময় ০৪:১৮:১৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ অক্টোবর ২০২২

দেনমোহর ও খোরপোশ চেয়ে সাবেক স্বামী এস এম পারভেজ সানজারীর বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলা প্রত্যাহার করেছেন কণ্ঠশিল্পী তাসবিহা বিনতে শহিদ মিলা। 

বৃহস্পতিবার (২৭ অক্টোবর) ঢাকার পারিবারিক আদালতে মামলাটির প্রত্যাহার চেয়ে আবেদন করেন তিনি। এরপর ঢাকার দ্বিতীয় সিনিয়র সহকারী জজ ও পারিবারিক আদালতের বিচারক দুরদানা রহমান আবেদনটি মঞ্জুর করেন। সংশ্লিষ্ট আদালতের বেঞ্চ সহকারী মাসুদ বিষয়টি জানিয়েছেন।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ২০১৭ সালের ১২ মে পারভেজ সানজারীর সঙ্গে কণ্ঠশিল্পী মিলার বিয়ে হয়। বিয়েতে ২৫ লাখ টাকা দেনমোহর ধার্য করা হয়৷ এ ছাড়া বিয়ের সময় মিলার বাবা-মা তাকে স্বর্ণের অলংকারসহ ৩০ লাখ টাকার আসবাবপত্র দেন। বিয়ের পর বিবাদী পারভেজ প্রায় সময় মিলার কাছে যৌতুক দাবি করেন। তাকে মানসিক ও শারীরিকভাবে নির্যাতন করেন।

২০১৭ সালের ১৬ জুন বিবাদী পারভেজ মিলার কাছে থেকে পাঁচ লাখ টাকা নেন৷ পরে যৌতুক হিসাবে দশ লাখ টাকা দাবি করে চাপ সৃষ্টি করেন। তবে টাকা দিতে অপারগতা প্রকাশ করায় মিলার ওপর পারভেজ শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন বাড়িয়ে দেন। এ ঘটনায় উত্তরা পশ্চিম থানায় একটা মামলা হয়। পরে ২০১৮ সালের ৩১ জানুয়ারি পারভেজ মিলাকে তালাক দেন। এরপর মিলা দেনমোহর ও খোরপোশের টাকা চাইলে পারভেজ তা দিতে অস্বীকার করেন।

২০১৯ সালের ৫ আগস্ট দেনমোহর ও খোরপোশ বাবদ ৬৭ লাখ টাকা আদায়ের জন্য ঢাকার পারিবারিক আদালতে মামলা করেন মিলা।