ঢাকা ০১:৩০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ নভেম্বর ২০২২, ১৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
প্রেমের বিয়েতে বাধা, অভিভাবকের সাথে অভিমান করে আত্মহত্যার চেস্টা ফরিদগঞ্জের পাইকপাড়া দক্ষিণ ইউনিয়নের চেয়ারম্যান হলেন ছাত্রলীগনেতা রাজন শেখ বোরহানউদ্দিন কুঞ্জেরহাটে গ্রামীণফোন সেন্টারের শুভ উদ্বোধন রূপগঞ্জ থানা ছাত্রলীগ”নেতৃত্বে স্থলাভিষিক্ত হলেন মাদক সম্রাট রিয়াজ কাপুরুষ-হিংসুকদের গুরুত্ব দিও না, নেইমারকে উপদেশ রোনালদোর সুইসদের বিপক্ষে যেমন হতে পারে ব্রাজিলের একাদশ ছয় গোলের ম্যাচে ক্যামেরুনের এক পয়েন্ট করোনায় একজনের মৃত্যু, শনাক্ত ২৯ রেজাল্টের পরও মিষ্টি বিক্রির ধুম নেই, হতাশ দোকানিরা বিশেষ পরিস্থিতিতে তেল, গ্যাস ও বিদ্যুতের দাম বাড়াতে পারবে সরকার

আজ বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমানের শাহাদাতবার্ষিকী

বীরশ্রেষ্ঠ শহিদ সিপাহি হামিদুর রহমানের ৫১তম শাহাদাতবার্ষিকী আজ শুক্রবার। ১৯৭১ সালের এই দিনে মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ধলই সীমান্তে পাক হানাদার বাহিনীর সঙ্গে সম্মুখযুদ্ধে তিনি শহিদ হন। 

মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য বীরত্বের জন্য তাকে বীরশ্রেষ্ঠ উপাধিতে ভূষিত করা হয়। মাত্র ১৮ বছর বয়সে শহিদ হওয়া সিপাহি হামিদুর রহমান ৭ জন বীরশ্রেষ্ঠ পদকপ্রাপ্ত শহীদ মুক্তিযোদ্ধার মধ্যে সর্বকনিষ্ঠ। হামিদুরের গ্রামের বাড়ি ঝিনাইদহ জেলার মহেশপুরের খোরদা খালিশপুর গ্রামে।

তার বীরত্বে ওই যুদ্ধে মুক্তিযোদ্ধাদের হাতে পাকিস্তানি বাহিনী পরাজিত হয় এবং তাদের ফাঁড়ি দখল করে নেওয়া হয়। তবে এ সংঘর্ষে শহীদ হন তিনি। তাৎক্ষণিকভাবে তাকে ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যে সীমান্তের কাছে দাফন করা হয়। পরে ২০০৭ সালের ১০ ডিসেম্বর ভারতের ত্রিপুরা থেকে তার মরদেহ এনে গ্রামের বাড়িতে পুনরায় দাফন করা হয়।

নিজের জীবন উৎসর্গ করে হামিদুর রহমান বাংলাদেশের স্বাধীনতাকে আরও নিশ্চিত করে দিয়েছিলেন। দেশ তাকে তাই বীরশ্রেষ্ঠের সম্মানে ভূষিত করেছে।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published.

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

প্রেমের বিয়েতে বাধা, অভিভাবকের সাথে অভিমান করে আত্মহত্যার চেস্টা

আজ বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমানের শাহাদাতবার্ষিকী

আপডেট সময় ১০:৩০:৫৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ অক্টোবর ২০২২

বীরশ্রেষ্ঠ শহিদ সিপাহি হামিদুর রহমানের ৫১তম শাহাদাতবার্ষিকী আজ শুক্রবার। ১৯৭১ সালের এই দিনে মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ধলই সীমান্তে পাক হানাদার বাহিনীর সঙ্গে সম্মুখযুদ্ধে তিনি শহিদ হন। 

মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য বীরত্বের জন্য তাকে বীরশ্রেষ্ঠ উপাধিতে ভূষিত করা হয়। মাত্র ১৮ বছর বয়সে শহিদ হওয়া সিপাহি হামিদুর রহমান ৭ জন বীরশ্রেষ্ঠ পদকপ্রাপ্ত শহীদ মুক্তিযোদ্ধার মধ্যে সর্বকনিষ্ঠ। হামিদুরের গ্রামের বাড়ি ঝিনাইদহ জেলার মহেশপুরের খোরদা খালিশপুর গ্রামে।

তার বীরত্বে ওই যুদ্ধে মুক্তিযোদ্ধাদের হাতে পাকিস্তানি বাহিনী পরাজিত হয় এবং তাদের ফাঁড়ি দখল করে নেওয়া হয়। তবে এ সংঘর্ষে শহীদ হন তিনি। তাৎক্ষণিকভাবে তাকে ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যে সীমান্তের কাছে দাফন করা হয়। পরে ২০০৭ সালের ১০ ডিসেম্বর ভারতের ত্রিপুরা থেকে তার মরদেহ এনে গ্রামের বাড়িতে পুনরায় দাফন করা হয়।

নিজের জীবন উৎসর্গ করে হামিদুর রহমান বাংলাদেশের স্বাধীনতাকে আরও নিশ্চিত করে দিয়েছিলেন। দেশ তাকে তাই বীরশ্রেষ্ঠের সম্মানে ভূষিত করেছে।