ঢাকা ০১:০২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৫ ডিসেম্বর ২০২২, ২০ অগ্রহায়ণ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
মঠবাড়িয়ায় জাপা নেতাকে কুপিয়ে পা বিচ্ছিন্নের মামলায় ৪ আসামি কারাগারে ফরিদগঞ্জ রূপসা বাজারে সান্ধ্য কালিন চেয়ারম্যান অফিস উদ্ভোধন। ভাড়াশিমলা ইউনিয়নে জনসমুদ্রে পরিণত হল এমপি সাথে জনগণের মতবিনিময় অনুষ্ঠানে।। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা চট্টগ্রামের ঐতিহাসিক পলোগ্রাউন্ডে ২৯টি উন্নয়ন প্রকল্পের শুভ উদ্বোধন ফরিদগঞ্জে টাকা খেয়েও ভোট না দেয়ায় টাকা ফেরত চান প্রার্থী। দিচ্ছেন মামলার হুমকি। হাকালুকি হাওরে চলছে অবাধে অতিথি পাখি শিকার; কর্তৃপক্ষ নিরব তাহিরপুরে অফিস সহায়ককে হুমকি, সচেতন মহলের ক্ষোভ লোকাল আলুর বীজে সয়লাভ সুপ্রীম সিডের মোড়কীয় নকল করণে জরিমানা রংপুরে শ্বাসরুদ্ধকর ম্যাচে ভারতকে হারাল টাইগাররা  ৩ বিএনপি কর্মী গ্রেফতার : বিএনপির ৭৫ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে মামলা

মজুত চিনি বাজারে ছাড়তে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ

চিনির বাজার স্থিতিশীল করতে মিল মালিক, রিফাইনারি প্রতিষ্ঠান ও পাইকারদের কাছে মজুত চিনি বাজারে ছাড়ার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। 

সোমবার (২৪ অক্টোবর) চিনিসহ নিত্যপণ্যের বিষয়ে বৈঠকের সময় প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব ড. আহমদ কায়কাউস এ তথ্য জানান। বৈঠকে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়, প্রতিযোগিতা কমিশন, জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরসহ সরকারি কয়েকটি সংস্থার প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

চাহিদার তুলনায় সরবরাহে ঘাটতির অজুহাতে হঠাৎ অস্থিতিশীল হয়ে উঠেছে দেশের চিনির বাজার। সংক‌টের কথা ব‌লে সরকারের বেঁধে দেওয়া মূল্যের চেয়ে ১০ থেকে ১৫ টাকা বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে চি‌নি। অ‌নেক এলাকায় প্যাকেটের চিনি উধাও হ‌য়ে গে‌ছে। ‌ত‌বে কেন্দ্রীয় ব্যাংক বল‌ছে চা‌হিদা অনুযায়ী দে‌শে পর্যাপ্ত চি‌নি আমদানি হ‌য়ে‌ছে, সংকট হওয়ার কো‌নো কারণ নেই।

এদিকে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, সংকটের কথা বলে সপ্তাহের ব্যবধানে কেজিতে খোলা চিনির দাম বেড়েছে ১০ থেকে ১৫ টাকা। আর প্যাকেটজাত চিনি অনেক এলাকায় পাওয়া যাচ্ছে না। ক্রেতারা বলছেন, জনগণকে জিম্মি করে ব্যবসায়ীরা খেলায় মেতেছেন। তারা সরকারের কোনো নিয়ম-নীতি মানছেন না। নিজেদের ইচ্ছেমতো দাম বাড়াচ্ছেন। আর ব্যবসায়ীদের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, বিদ্যুৎ ও গ্যাস সংকটের কারণে চিনির উৎপাদন কমেছে। যে কারণে বাজারে ঘাটতি দেখা দিয়েছে।

গত ৬ অক্টোবর সরকারের বাণিজ্য মন্ত্রণালয় খোলা চিনি ৯০ টাকা এবং প্যাকেটজাত চিনির দাম ৯৫ টাকা নির্ধারণ করে দেয়। কিন্তু তা বাস্তবে কার্যকর হয়নি। বরং এখন উল্টো দাম বাড়ছে।

সরকারি তথ্য মতে, দেশে চাহিদার বড় একটি অংশ মেটানো হয় আমদানি করা চিনির মাধ্যমে। এই চিনি আমদানি হয় মূলত সিটি, মেঘনা, এস আলম, ইগলু ও দেশবন্ধু গ্রুপের মাধ্যমে।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published.

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

মঠবাড়িয়ায় জাপা নেতাকে কুপিয়ে পা বিচ্ছিন্নের মামলায় ৪ আসামি কারাগারে

মজুত চিনি বাজারে ছাড়তে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ

আপডেট সময় ০৩:০২:২৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ অক্টোবর ২০২২

চিনির বাজার স্থিতিশীল করতে মিল মালিক, রিফাইনারি প্রতিষ্ঠান ও পাইকারদের কাছে মজুত চিনি বাজারে ছাড়ার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। 

সোমবার (২৪ অক্টোবর) চিনিসহ নিত্যপণ্যের বিষয়ে বৈঠকের সময় প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব ড. আহমদ কায়কাউস এ তথ্য জানান। বৈঠকে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়, প্রতিযোগিতা কমিশন, জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরসহ সরকারি কয়েকটি সংস্থার প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

চাহিদার তুলনায় সরবরাহে ঘাটতির অজুহাতে হঠাৎ অস্থিতিশীল হয়ে উঠেছে দেশের চিনির বাজার। সংক‌টের কথা ব‌লে সরকারের বেঁধে দেওয়া মূল্যের চেয়ে ১০ থেকে ১৫ টাকা বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে চি‌নি। অ‌নেক এলাকায় প্যাকেটের চিনি উধাও হ‌য়ে গে‌ছে। ‌ত‌বে কেন্দ্রীয় ব্যাংক বল‌ছে চা‌হিদা অনুযায়ী দে‌শে পর্যাপ্ত চি‌নি আমদানি হ‌য়ে‌ছে, সংকট হওয়ার কো‌নো কারণ নেই।

এদিকে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, সংকটের কথা বলে সপ্তাহের ব্যবধানে কেজিতে খোলা চিনির দাম বেড়েছে ১০ থেকে ১৫ টাকা। আর প্যাকেটজাত চিনি অনেক এলাকায় পাওয়া যাচ্ছে না। ক্রেতারা বলছেন, জনগণকে জিম্মি করে ব্যবসায়ীরা খেলায় মেতেছেন। তারা সরকারের কোনো নিয়ম-নীতি মানছেন না। নিজেদের ইচ্ছেমতো দাম বাড়াচ্ছেন। আর ব্যবসায়ীদের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, বিদ্যুৎ ও গ্যাস সংকটের কারণে চিনির উৎপাদন কমেছে। যে কারণে বাজারে ঘাটতি দেখা দিয়েছে।

গত ৬ অক্টোবর সরকারের বাণিজ্য মন্ত্রণালয় খোলা চিনি ৯০ টাকা এবং প্যাকেটজাত চিনির দাম ৯৫ টাকা নির্ধারণ করে দেয়। কিন্তু তা বাস্তবে কার্যকর হয়নি। বরং এখন উল্টো দাম বাড়ছে।

সরকারি তথ্য মতে, দেশে চাহিদার বড় একটি অংশ মেটানো হয় আমদানি করা চিনির মাধ্যমে। এই চিনি আমদানি হয় মূলত সিটি, মেঘনা, এস আলম, ইগলু ও দেশবন্ধু গ্রুপের মাধ্যমে।