ঢাকা ০৯:২০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২৩, ১৫ মাঘ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
কটিয়াদীতে নাইট মিনি ফুটবল প্রীতি ম্যাচ অনুষ্ঠিত আজমিরীগঞ্জে জাকজমকভাবে ৫ শতাধিক মন্ডপে বিদ্যাদেবী সরস্বতী পুজা অনুষ্ঠিত রাজধানীতে পৃথক দুর্ঘটনায় দুই শিশুসহ নিহত-৩ লোহাগাড়া থানা পুলিশের অভিযানে ৩ টি বিপন্ন প্রাণী সহ আটক ৪ বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন পূরণে প্রধানমন্ত্রী প্রযুক্তি নির্ভর শিক্ষার ডিজিটাল প্লাটফর্ম তৈরী করেছেন প্রাচীন নিদর্শন ৩ গম্বুজ দেওগাঁ জামে মসজিদ কিশোরগঞ্জে ফরহাদ গ্যাংয়ের ৩ সদস্য আটক কুমিল্লা চৌদ্দগ্রামে ট্রাক চাপায় মোটরসাইকেল আরোহী নিহত চট্টগ্রাম মতি টাওয়ার মতি কমপ্লেক্স ট্রাভেলস এজেন্সি এসোসিয়েশনের মাসিক সভা-২০২৩ হবিগঞ্জের জীবন সংগ্রামী তরুণ নেজামুল হক

রামগঞ্জে বাজার ভরা আগাম শীতের সবজি, বিক্রি হচ্ছে চড়া দামে॥

শীত ঘরের দুয়ারে। ইতোমধ্যেই শীতের বাহারি সব সবজি উঠতে শুরু করেছে বাজারে। রামগঞ্জ কাঁচা বাজারে মিলছে আগাম শীতকালীন নানা ধরনের সবজি। শুধু তাই নয়, বাজারে এসব সবজি মিললেও তা বিক্রি হচ্ছে বেশ চড়া দামেই।

খুচরা বিক্রেতাদের অভিযোগ পাইকারি বাজারেই দাম চড়া। তাই বাধ্য হয়েই ক্রেতাদের কাছে বেশি দামে বিক্রি করতে হচ্ছে তাদের। আগাম শীতকালীন সকল প্রকার সবজির দাম চড়া। পাইকারি ব্যবসায়ীরা বলছেন, আমদানি কম থাকায় সবজির দাম দিন দিন বৃদ্ধি হচ্ছে।

রামগঞ্জ কাঁচা বাজারসহ বিভিন্ন বাজার ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে, কেজি প্রতি টমেটো ১৪০ থেকে ১৬০ টাকা, ফুলকপি ১০০ টাকা, বাঁধাকপি ১২০ টাকা, গাজর ১৬০ টাকা, বরবটি ৫০ থেকে ৬০ টাকা, কাঁচা মরিচ ৭০ থেকে ৮০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। এদিকে আলু ২৫ টাকা, শসা ৭০ থেকে ৮০ টাকা, সিম ১০০ থেকে ১২০ টাকা, মূলা ৬০ টাকা, বেগুন ৬০ টাকা, করলা ৭০ টাকা, ঢেঁড়স ৬০ টাকা, কাঁচা পেঁপে ৫০ টাকা, চিচিঙ্গা ৫০ টাকা, ঝিংগা ৬০ টাকা, কাঁকরোল ৬০টাকা, পটল ৬০ টাকা, লাউ প্রতি পিচ ৮০-১০০ টাকা দরে বিক্রি হতে দেখা গেছে।

সবজির মতোই বাড়তি দামে বিক্রি হচ্ছে সবধরনের শাক। প্রতি আটি (মোড়া) লালশাক ১০ থেকে ১৫ টাকা, মুলাশাক ১৫ থেকে ২০ টাকা, পালং শাক ২০ টাকা, কুমড়া শাক ২৫ থেকে ৩০ টাকা, লাউ শাক ৩০ থেকে ৪০ টাকা এবং পুঁইশাক ২০ থেকে ৩০ টাকায় বিক্রি হতে দেখা গেছে।

এছাড়াও আদা বিক্রি হচ্ছে ৮০ থেকে ১০০ টাকা, দেশি পেঁয়াজ ৪০ থেকে ৫০ টাকা, রসুন ৯০ থেকে ১০০ টাকা করে কেজি। অন্যদিকে বেড়েছে ডিমের দামও। সাদা ডিমের হালি ৪৪ টাকা ও লাল ডিম ৪৬ টাকা করে বিক্রি হচ্ছে। অপরদিকে কেজিতে বাড়ছে বয়লার মুরগির দাম। বিক্রি হচ্ছে ১৮০ টাকা কেজি দরে। এছাড়াও সোনালী মুরগী ৩০০ থেকে ৩২০ টাকা, লেয়ার মুরগি ২৮০ থেকে ৩০০ টাকা, দেশি মুরগি ৪৫০ থেকে ৫০০ টাকা ও হাঁস বিক্রি হচ্ছে ৪৫০ টাকা কেজি হিসেবে। এদিকে, ইলিশ মাছ বাজারে না থাকায় অন্যান্য মাছের দাম বাড়তির দিকে।

মাছের বাজার ঘুরে দেখা গেছে, রুই মাছ বিক্রি হচ্ছে প্রতিকেজি ৩০০ থেকে ৩৫০ টাকা কেজি। মিগেল ২৮০ থেকে ৩২০টাকা, তেলাপিয়া ১৮০ থেকে ২৫০ টাকা, পাঙাশ ১৮০ থেকে ২০০ টাকা, শিং ৪০০ থেকে ৬০০ টাকা, কাচকি ২৫০ থেকে ৩৫০ টাকা, পাবদা ৪০০ থেকে ৬০০ টাকা, ট্যাংরা ৫৫০ থেকে ৭০০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে। আর প্রতি কেজি গরু ও মহিষের মাংস বিক্রি হচ্ছে ৫৫০ থেকে ৫৭০ টাকা, খাসি ৭৫০ থেকে ৭৮০ টাকা।

ক্রেতারা বাড়তি দাম নেওয়ার অভিযোগ করলেও বিক্রেতারা বলছেন, বাজারে নতুন সবজি এলে শুরুর দিকে দাম একটু বেশি থাকে। এছাড়াও বিভিন্ন সবজির আমদানি কম থাকার কারণেও দাম একটু বেশি। তবে কিছুদিন পর এসকল সবজির দাম সাধারণ ক্রেতার নাগালেই থাকবে।

রামগঞ্জ কাঁচা বাজারে সবজি কিনতে আসা মনির, আনোয়ার, বিল্লাল, বাচ্চুসহ অনেক বলেন, যেহেতু হালকা হালকা শীত পড়তে শুরু করেছে তাই এখন বাসায় সবার শীতের সবজি খেতে পছন্দ করবে। কিন্তু বাজারে এসে দেখছি শীতের সবজিগুলোর বেশ চড়া দাম। যা আমাদের মত মধ্যবিত্ত পরিবারের একদম নাগালের বাইরে।

তারা আরো বলেন, প্রতিদিনই বাজারে আসছে শীতের নানা ধরনের সবজি। শীতের আগাম এই সবজির সরবরাহ বাড়লেও বাজারে এর দাম চড়া। সরবরাহ থাকলেও নানা অজুহাতে সবজির দাম বাড়িয়ে দেয়া হচ্ছে। পাইকারি বাজারে দাম কিছুটা সহনীয় হলেও খুচড়া বাজারে উচ্চমূল্যে বিক্রি হচ্ছে শীতের এই আগাম সবজি।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published.

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

কটিয়াদীতে নাইট মিনি ফুটবল প্রীতি ম্যাচ অনুষ্ঠিত

রামগঞ্জে বাজার ভরা আগাম শীতের সবজি, বিক্রি হচ্ছে চড়া দামে॥

আপডেট সময় ০৪:৫১:২১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২১ অক্টোবর ২০২২

শীত ঘরের দুয়ারে। ইতোমধ্যেই শীতের বাহারি সব সবজি উঠতে শুরু করেছে বাজারে। রামগঞ্জ কাঁচা বাজারে মিলছে আগাম শীতকালীন নানা ধরনের সবজি। শুধু তাই নয়, বাজারে এসব সবজি মিললেও তা বিক্রি হচ্ছে বেশ চড়া দামেই।

খুচরা বিক্রেতাদের অভিযোগ পাইকারি বাজারেই দাম চড়া। তাই বাধ্য হয়েই ক্রেতাদের কাছে বেশি দামে বিক্রি করতে হচ্ছে তাদের। আগাম শীতকালীন সকল প্রকার সবজির দাম চড়া। পাইকারি ব্যবসায়ীরা বলছেন, আমদানি কম থাকায় সবজির দাম দিন দিন বৃদ্ধি হচ্ছে।

রামগঞ্জ কাঁচা বাজারসহ বিভিন্ন বাজার ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে, কেজি প্রতি টমেটো ১৪০ থেকে ১৬০ টাকা, ফুলকপি ১০০ টাকা, বাঁধাকপি ১২০ টাকা, গাজর ১৬০ টাকা, বরবটি ৫০ থেকে ৬০ টাকা, কাঁচা মরিচ ৭০ থেকে ৮০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। এদিকে আলু ২৫ টাকা, শসা ৭০ থেকে ৮০ টাকা, সিম ১০০ থেকে ১২০ টাকা, মূলা ৬০ টাকা, বেগুন ৬০ টাকা, করলা ৭০ টাকা, ঢেঁড়স ৬০ টাকা, কাঁচা পেঁপে ৫০ টাকা, চিচিঙ্গা ৫০ টাকা, ঝিংগা ৬০ টাকা, কাঁকরোল ৬০টাকা, পটল ৬০ টাকা, লাউ প্রতি পিচ ৮০-১০০ টাকা দরে বিক্রি হতে দেখা গেছে।

সবজির মতোই বাড়তি দামে বিক্রি হচ্ছে সবধরনের শাক। প্রতি আটি (মোড়া) লালশাক ১০ থেকে ১৫ টাকা, মুলাশাক ১৫ থেকে ২০ টাকা, পালং শাক ২০ টাকা, কুমড়া শাক ২৫ থেকে ৩০ টাকা, লাউ শাক ৩০ থেকে ৪০ টাকা এবং পুঁইশাক ২০ থেকে ৩০ টাকায় বিক্রি হতে দেখা গেছে।

এছাড়াও আদা বিক্রি হচ্ছে ৮০ থেকে ১০০ টাকা, দেশি পেঁয়াজ ৪০ থেকে ৫০ টাকা, রসুন ৯০ থেকে ১০০ টাকা করে কেজি। অন্যদিকে বেড়েছে ডিমের দামও। সাদা ডিমের হালি ৪৪ টাকা ও লাল ডিম ৪৬ টাকা করে বিক্রি হচ্ছে। অপরদিকে কেজিতে বাড়ছে বয়লার মুরগির দাম। বিক্রি হচ্ছে ১৮০ টাকা কেজি দরে। এছাড়াও সোনালী মুরগী ৩০০ থেকে ৩২০ টাকা, লেয়ার মুরগি ২৮০ থেকে ৩০০ টাকা, দেশি মুরগি ৪৫০ থেকে ৫০০ টাকা ও হাঁস বিক্রি হচ্ছে ৪৫০ টাকা কেজি হিসেবে। এদিকে, ইলিশ মাছ বাজারে না থাকায় অন্যান্য মাছের দাম বাড়তির দিকে।

মাছের বাজার ঘুরে দেখা গেছে, রুই মাছ বিক্রি হচ্ছে প্রতিকেজি ৩০০ থেকে ৩৫০ টাকা কেজি। মিগেল ২৮০ থেকে ৩২০টাকা, তেলাপিয়া ১৮০ থেকে ২৫০ টাকা, পাঙাশ ১৮০ থেকে ২০০ টাকা, শিং ৪০০ থেকে ৬০০ টাকা, কাচকি ২৫০ থেকে ৩৫০ টাকা, পাবদা ৪০০ থেকে ৬০০ টাকা, ট্যাংরা ৫৫০ থেকে ৭০০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে। আর প্রতি কেজি গরু ও মহিষের মাংস বিক্রি হচ্ছে ৫৫০ থেকে ৫৭০ টাকা, খাসি ৭৫০ থেকে ৭৮০ টাকা।

ক্রেতারা বাড়তি দাম নেওয়ার অভিযোগ করলেও বিক্রেতারা বলছেন, বাজারে নতুন সবজি এলে শুরুর দিকে দাম একটু বেশি থাকে। এছাড়াও বিভিন্ন সবজির আমদানি কম থাকার কারণেও দাম একটু বেশি। তবে কিছুদিন পর এসকল সবজির দাম সাধারণ ক্রেতার নাগালেই থাকবে।

রামগঞ্জ কাঁচা বাজারে সবজি কিনতে আসা মনির, আনোয়ার, বিল্লাল, বাচ্চুসহ অনেক বলেন, যেহেতু হালকা হালকা শীত পড়তে শুরু করেছে তাই এখন বাসায় সবার শীতের সবজি খেতে পছন্দ করবে। কিন্তু বাজারে এসে দেখছি শীতের সবজিগুলোর বেশ চড়া দাম। যা আমাদের মত মধ্যবিত্ত পরিবারের একদম নাগালের বাইরে।

তারা আরো বলেন, প্রতিদিনই বাজারে আসছে শীতের নানা ধরনের সবজি। শীতের আগাম এই সবজির সরবরাহ বাড়লেও বাজারে এর দাম চড়া। সরবরাহ থাকলেও নানা অজুহাতে সবজির দাম বাড়িয়ে দেয়া হচ্ছে। পাইকারি বাজারে দাম কিছুটা সহনীয় হলেও খুচড়া বাজারে উচ্চমূল্যে বিক্রি হচ্ছে শীতের এই আগাম সবজি।