ঢাকা ১২:০৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ নভেম্বর ২০২২, ১৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ

চান্দিনায় তিন ছাত্রকে বলাৎকার করে শ্রীঘরে মসজিদের ঈমাম

কুমিল্লার চান্দিনায় তিন স্কুল ছাত্রকে বলাৎকারের অভিযোগে মো. কেফায়েত উল্লাহ (২৫) নামে এক মসজিদের ঈমামকে আটক করেছে পুলিশ। শুক্রবার (১৪ অক্টোবর) সন্ধ্যা সাড়ে ৫টায় অভিযান চালিয়ে চান্দিনা উপজেলার মাইজখার ইউনিয়নের মাইজখার পূর্বপাড়া এলাকা থেকে তাকে আটক করে।

মো. কেফায়েত উল্লাহ কুমিল্লার বরুড়া উপজেলার আগানগর ইউনিয়নের বিজয়পুর গ্রামের মিন্নত আলীর ছেলে। সে চান্দিনার পূর্বমাইজখার গ্রামের (কাতুলিয়া পাড়া) একটি জামে মসজিদে ঈমাম এর দায়িত্ব পালন করছিল। ভুক্তভোগী ওই শিশু জানায়, হুজুর মসজিদের বারান্দার একটি রুমে থাকেন।

তিনি কয়েদিন যাবৎ আমার সাথে এমন খারাপ কাজ করে আসছিল। বৃহস্পতিবার বিকেলে আমার সাথে খারাপ কাজ করায় আমি সহ্য করতে না পেরে বাড়িতে এসে বাবা-মাকে জানাই। ওই গ্রামের সোহেল জানান, গ্রামের ওই মসজিদটিতে প্রতিদিন সকাল ও বিকেলে শিশুদের আরবী পড়াতেন ঈমাম কেফায়েত। প্রায় এক মাস যাবৎ এলাকার তিনটি শিশুকে বলাৎকার করে আসছিল।

তাদেরকে ভয়-ভীতি দেখানোর ফলে তারা অভিভাবকদের কিছুই জানায়নি। বৃহস্পতিবার (১৩ অক্টোবর) বিকেলে চতুর্থ শ্রেণীতে পড়–য়া একটি ছেলে শিশুকে বলাৎকার করার পর সে অসুস্থ হয়ে পড়ায় বিষয়টি জানাজানি হয়। খোঁজ নিয়ে আরও জানতে পারি আরও ২ ছেলেকেও এমন কাজ করেছে। তারা তৃতীয় ও পঞ্চম শ্রেণীতে অধ্যয়ণরত।

চান্দিনা থানার অফিসার ইন-চার্জ (ওসি) মো. সাহাবুদ্দীন খাঁন জানান, ভুক্তভোগী এক শিশুর পিতা থানায় লিখিত অভিযোগ করার পর অভিযান চালিয়ে ওই ঈমামকে আটক করা হয়েছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ওই ঈমাম ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেছে।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published.

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

চান্দিনায় তিন ছাত্রকে বলাৎকার করে শ্রীঘরে মসজিদের ঈমাম

আপডেট সময় ০৮:০৪:৫৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২২

কুমিল্লার চান্দিনায় তিন স্কুল ছাত্রকে বলাৎকারের অভিযোগে মো. কেফায়েত উল্লাহ (২৫) নামে এক মসজিদের ঈমামকে আটক করেছে পুলিশ। শুক্রবার (১৪ অক্টোবর) সন্ধ্যা সাড়ে ৫টায় অভিযান চালিয়ে চান্দিনা উপজেলার মাইজখার ইউনিয়নের মাইজখার পূর্বপাড়া এলাকা থেকে তাকে আটক করে।

মো. কেফায়েত উল্লাহ কুমিল্লার বরুড়া উপজেলার আগানগর ইউনিয়নের বিজয়পুর গ্রামের মিন্নত আলীর ছেলে। সে চান্দিনার পূর্বমাইজখার গ্রামের (কাতুলিয়া পাড়া) একটি জামে মসজিদে ঈমাম এর দায়িত্ব পালন করছিল। ভুক্তভোগী ওই শিশু জানায়, হুজুর মসজিদের বারান্দার একটি রুমে থাকেন।

তিনি কয়েদিন যাবৎ আমার সাথে এমন খারাপ কাজ করে আসছিল। বৃহস্পতিবার বিকেলে আমার সাথে খারাপ কাজ করায় আমি সহ্য করতে না পেরে বাড়িতে এসে বাবা-মাকে জানাই। ওই গ্রামের সোহেল জানান, গ্রামের ওই মসজিদটিতে প্রতিদিন সকাল ও বিকেলে শিশুদের আরবী পড়াতেন ঈমাম কেফায়েত। প্রায় এক মাস যাবৎ এলাকার তিনটি শিশুকে বলাৎকার করে আসছিল।

তাদেরকে ভয়-ভীতি দেখানোর ফলে তারা অভিভাবকদের কিছুই জানায়নি। বৃহস্পতিবার (১৩ অক্টোবর) বিকেলে চতুর্থ শ্রেণীতে পড়–য়া একটি ছেলে শিশুকে বলাৎকার করার পর সে অসুস্থ হয়ে পড়ায় বিষয়টি জানাজানি হয়। খোঁজ নিয়ে আরও জানতে পারি আরও ২ ছেলেকেও এমন কাজ করেছে। তারা তৃতীয় ও পঞ্চম শ্রেণীতে অধ্যয়ণরত।

চান্দিনা থানার অফিসার ইন-চার্জ (ওসি) মো. সাহাবুদ্দীন খাঁন জানান, ভুক্তভোগী এক শিশুর পিতা থানায় লিখিত অভিযোগ করার পর অভিযান চালিয়ে ওই ঈমামকে আটক করা হয়েছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ওই ঈমাম ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেছে।