ঢাকা ১২:২০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০১ ডিসেম্বর ২০২২, ১৭ অগ্রহায়ণ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ

নারীর মাহরাম ছাড়া ভ্রমণ কি বৈধ?-মুফতী শফিকুল ইসলাম মাযহারী

ইসলাম নারীকে মাহরাম ছাড়া দূরের কোনো সফরে বা ভ্রমণে যাওয়ার অনুমতি দেয় না। তা হোক দেশে কিংবা দেশের বাইরে। বরং নারীদের জন্য একাকী দূরের সফর বা ভ্রমণ করা নিষিদ্ধ। এ জন্যই নারীদের ফরজ হজ আদায়ের ক্ষেত্রে পুরুষের তুলনায় একটি শর্ত বেশি দেওয়া হয়েছে। যদি ৪৮ মাইল (৭৭ কিলোমিটার) বা তার বেশি দূরত্বে সফর হয়, তবে যতক্ষণ পর্যন্ত পুরুষদের থেকে নিজের কোনো মাহরাম আত্মীয় ভাই, বাবা বা স্বামী সঙ্গে না থাকে, ততক্ষণ পর্যন্ত কোনো নারীর জন্য সফর করা জায়েজ নেই।

তা হজের সফর হোক বা উচ্চশিক্ষার জন্য সফর হোক কিংবা দেশ ভ্রমণ হোক। হাদিসে পাকে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সাধারণ সফর এবং হজের সফর; সবক্ষেত্রেই মাহরাম ছাড়া নারীদের একাকী সফর করতে নিষেধ করেছেন। হাদিসের একাধিক বর্ণনায় এসেছে-

১. রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, ‘কোনো নারী যেন সঙ্গে মাহরাম ব্যক্তি ছাড়া একাকী তিন দিনের (দূরত্বে) কোনো সফর না করে।’ (মুসলিম)

২. নবিজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আরও বলেছেন, ‘যে নারী আল্লাহ ও আখেরাতের উপর ঈমান এনেছে তার জন্য সঙ্গে কোনো মাহরাম ব্যক্তি ছাড়া তিন দিনের দূরত্বে পথের সফর করা বৈধ নয়।’ (মুসলিম)

৩. প্রিয় নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, ‘কোনো নারী যেন দুই দিনের পথেও তার সঙ্গে কোনো মাহরাম পুরুষ অথবা তার স্বামী ছাড়া সফর না করে।’ (মুসলিম)

৪. এমনকি এক হাদিসে নবিজী বলেছেন, ‘কোনো মুসলিম নারীর জন্য সঙ্গে তার কোনো মাহরাম পুরুষ ছাড়া এক রাতের পথও সফর করা বৈধ নয়।’ (মুসলিম) দূরের সফর বা ভ্রমণে মাহরামের আবশ্যকতা মাহরাম না থাকার কারণে সম্পদশালী নারীর জন্য নিজে গিয়ে হজের ফরজিয়ত বা আবশ্যকতা থাকে না। এ প্রসঙ্গে দুই প্রসিদ্ধ ইমাম আবু হানিফা ও আহমদ ইবনে হাম্বল রাহমাতুল্লাহি আলাইহি বলেছেন- ‘নারীর হজ ফরজ হওয়ার জন্য শর্ত হলো ‘মাহরাম’। মাহরাম না থাকলে সম্পদ যতই থাকুক না কেন, নারীর ওপর হজ ফরজ হবে না।’ (বাদায়িউস সানা) এমনকি মাহরাম ছাড়া সফর কিংবা নির্জনে সাক্ষাৎ করাও নিষিদ্ধ।

হাদিসে পাকে এসেছে- হজরত ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন- ‘মাহরাম ছাড়া কোনো নারী কোনো পুরুষের সঙ্গে নির্জনে সাক্ষাৎ করবে না এবং কোনো নারী মাহরাম ব্যতিত সফর করবে না।’ মাহরামের আবশ্যকতা বুখারি ও মুসলিমের এক হাদিসে এভাবে ওঠে এসেছে- হজরত ইবনে আব্বাস রাদিল্লাহু আনহু নবিজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম থেকে বর্ণনা করেছেন, নবীজি বলেছেন, কোনো পুরুষ যেন কোনো নারীর সঙ্গে তার মাহরাম ছাড়া একাকী অবস্থান না করে। তখন এক ব্যক্তি উঠে বলল- ‘ইয়া রাসুলাল্লাহ! আমি তো অমুক অমুক যুদ্ধের জন্য নাম লিখিয়েছি। ওদিকে আমার স্ত্রী হজের উদ্দেশ্যে বেরিয়ে গেছে।

নবীজি বললেন, ফিরে যাও। তোমার স্ত্রীর সঙ্গে হজ কর।’ (বুখারি, মুসলিম) ইলমে ফিকহের বর্ণনা মতেও নারীর জন্য মাহরাম আবশ্যক। মাহরাম ছাড়া হজ থেকে শুরু করে দূরের কোনো সফরে নারীরা একাকী যেতে পারবে না। ইলমে ফিকহের বিখ্যাত গ্রন্থ ‘হেদায়া’য় এসেছে- ‘কোনো নারী যদি মাহরাম ছাড়া হজ করে তবে ওই নারীর হজ আদায় হয়ে যাবে কিন্তু মাহরাম ছাড়া হজের দীর্ঘ সফর করার কারণে ওই নারী গোনাহগার হবে।‘ তাই ফিকহের নির্দেশনা হলো- ‘হজের দীর্ঘ সফরের জন্য নারীর উচিত মাহরাম পাওয়ার জন্য জীবনের শেষ সময় পর্যন্ত অপেক্ষা করা। যদি কোনো মাহরাম না পান তবে তিনি নিজে হজের সফরে না গিয়ে অন্যের মাধ্যমে বদলি হজের ব্যবস্থা করা।

আর এটাই অধিকতর যুক্তিসঙ্গত। নারীর জন্য মাহরামের আবশ্যকতা কেন? হ্যাঁ, নারীরা মাহরাম ছাড়া কেন দূরের সফরে বা হজে যেতে পারবে না। এ প্রসঙ্গে প্রসিদ্ধ দুই ইমাম হজরত শাফেঈ ও মালিক রাহমাতুল্লাহি আলাইহি বলেন- ‘নারীর ওপর হজ ফরজ হওয়ার জন্য ‘মাহরাম’ শর্ত নয়। বরং নারীর হজ পালনের শর্ত হলো তার (হজে গমনকারী নারীর দীর্ঘ সফরের) নিরাপত্তা নিশ্চিত হওয়া। দীর্ঘ ভ্রমণ বা সফরের পথ যদি নিরাপদ হয় তবে মাহরামবিহীন একজন নারী একদল মাহরামওয়ালী নারীর সঙ্গে হজে যেতে পারবে।’ এখানে এমন একদল নারীর সঙ্গে যাওয়ার অনুমতি রয়েছে; যাদের সঙ্গে একাধিক মাহরাম আছে। যাতে তাদের পথের নিরাপত্তা নিশ্চিত হয়।

বর্তমান সময়ে যে পরিস্থিতি বিরাজ করছে; তাতে একজন নারীর একাকী বাইরে যাওয়া যেমন নিরাপদ নয়; তেমনি নারীর জন্য বাইরের পরিবেশও নিরাপদ নয়। আর যানবাহনের অবস্থাতো আরো বেশি ভয়ংকর। শহর কিংবা দূরের সফরে নারী যাতায়াতের জন্য নেই নিরাপদ ব্যবস্থাপনা। এ অবস্থায় নারীর ভ্রমণে যেমন রয়েছে ফেতনার আশংকা আবার তাতে নিরাপত্তাহীনতার আশঙ্কাও বেশি। নারীর নিরাপত্তা ও মাহরাম প্রসঙ্গে সমকালীন ইসলামিক স্কলার শায়খ আহমাদুল্লাহ বলেন- ‘নারীরা হলো প্রেসিডেন্টের মতো। সে যেখানেই যাবে তার বডিগার্ড থাকা লাগবেই।

এমনকি সে যদি বডিগার্ড রাখতে নাও চায় তবুও বডিগার্ড নিজ দায়িত্বের কারণে তাকে একা ছাড়তে পারেনা। কোনো প্রেসিডেন্ট কি বডিগার্ড ছাড়া থাকে? আর নারীর বডিগার্ড হলো তার মাহরাম। সবচেয়ে সেরা বডিগার্ড তার ভাই, বাবা এবং স্বামী।’ সুতরাং সব নারীর উচিত ঘরের বাইরে দূরে কোথাও যেতে হলে মাহরামসহ যাওয়া। নিজেদের বাইরের সফরকে নিরাপদ করা। আল্লাহ তাআলা মুসলিম উম্মাহর সব নারীকে মাহরমসহ দূরের সফর কিংবা হজের সফর করার তাওফিক দান করুন এবং কোরআন ও হাদিসের আলোকে চলার তৌফিক দান করুন। আমিন।

 

মুফতী শফিকুল ইসলাম মাযহারী

                  খতীব

বাইতুল আমান জামে মসজিদ

         মুগদা,ঢাকা ।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published.

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

নারীর মাহরাম ছাড়া ভ্রমণ কি বৈধ?-মুফতী শফিকুল ইসলাম মাযহারী

আপডেট সময় ১২:১৭:৫৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৭ অক্টোবর ২০২২

ইসলাম নারীকে মাহরাম ছাড়া দূরের কোনো সফরে বা ভ্রমণে যাওয়ার অনুমতি দেয় না। তা হোক দেশে কিংবা দেশের বাইরে। বরং নারীদের জন্য একাকী দূরের সফর বা ভ্রমণ করা নিষিদ্ধ। এ জন্যই নারীদের ফরজ হজ আদায়ের ক্ষেত্রে পুরুষের তুলনায় একটি শর্ত বেশি দেওয়া হয়েছে। যদি ৪৮ মাইল (৭৭ কিলোমিটার) বা তার বেশি দূরত্বে সফর হয়, তবে যতক্ষণ পর্যন্ত পুরুষদের থেকে নিজের কোনো মাহরাম আত্মীয় ভাই, বাবা বা স্বামী সঙ্গে না থাকে, ততক্ষণ পর্যন্ত কোনো নারীর জন্য সফর করা জায়েজ নেই।

তা হজের সফর হোক বা উচ্চশিক্ষার জন্য সফর হোক কিংবা দেশ ভ্রমণ হোক। হাদিসে পাকে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সাধারণ সফর এবং হজের সফর; সবক্ষেত্রেই মাহরাম ছাড়া নারীদের একাকী সফর করতে নিষেধ করেছেন। হাদিসের একাধিক বর্ণনায় এসেছে-

১. রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, ‘কোনো নারী যেন সঙ্গে মাহরাম ব্যক্তি ছাড়া একাকী তিন দিনের (দূরত্বে) কোনো সফর না করে।’ (মুসলিম)

২. নবিজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আরও বলেছেন, ‘যে নারী আল্লাহ ও আখেরাতের উপর ঈমান এনেছে তার জন্য সঙ্গে কোনো মাহরাম ব্যক্তি ছাড়া তিন দিনের দূরত্বে পথের সফর করা বৈধ নয়।’ (মুসলিম)

৩. প্রিয় নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, ‘কোনো নারী যেন দুই দিনের পথেও তার সঙ্গে কোনো মাহরাম পুরুষ অথবা তার স্বামী ছাড়া সফর না করে।’ (মুসলিম)

৪. এমনকি এক হাদিসে নবিজী বলেছেন, ‘কোনো মুসলিম নারীর জন্য সঙ্গে তার কোনো মাহরাম পুরুষ ছাড়া এক রাতের পথও সফর করা বৈধ নয়।’ (মুসলিম) দূরের সফর বা ভ্রমণে মাহরামের আবশ্যকতা মাহরাম না থাকার কারণে সম্পদশালী নারীর জন্য নিজে গিয়ে হজের ফরজিয়ত বা আবশ্যকতা থাকে না। এ প্রসঙ্গে দুই প্রসিদ্ধ ইমাম আবু হানিফা ও আহমদ ইবনে হাম্বল রাহমাতুল্লাহি আলাইহি বলেছেন- ‘নারীর হজ ফরজ হওয়ার জন্য শর্ত হলো ‘মাহরাম’। মাহরাম না থাকলে সম্পদ যতই থাকুক না কেন, নারীর ওপর হজ ফরজ হবে না।’ (বাদায়িউস সানা) এমনকি মাহরাম ছাড়া সফর কিংবা নির্জনে সাক্ষাৎ করাও নিষিদ্ধ।

হাদিসে পাকে এসেছে- হজরত ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন- ‘মাহরাম ছাড়া কোনো নারী কোনো পুরুষের সঙ্গে নির্জনে সাক্ষাৎ করবে না এবং কোনো নারী মাহরাম ব্যতিত সফর করবে না।’ মাহরামের আবশ্যকতা বুখারি ও মুসলিমের এক হাদিসে এভাবে ওঠে এসেছে- হজরত ইবনে আব্বাস রাদিল্লাহু আনহু নবিজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম থেকে বর্ণনা করেছেন, নবীজি বলেছেন, কোনো পুরুষ যেন কোনো নারীর সঙ্গে তার মাহরাম ছাড়া একাকী অবস্থান না করে। তখন এক ব্যক্তি উঠে বলল- ‘ইয়া রাসুলাল্লাহ! আমি তো অমুক অমুক যুদ্ধের জন্য নাম লিখিয়েছি। ওদিকে আমার স্ত্রী হজের উদ্দেশ্যে বেরিয়ে গেছে।

নবীজি বললেন, ফিরে যাও। তোমার স্ত্রীর সঙ্গে হজ কর।’ (বুখারি, মুসলিম) ইলমে ফিকহের বর্ণনা মতেও নারীর জন্য মাহরাম আবশ্যক। মাহরাম ছাড়া হজ থেকে শুরু করে দূরের কোনো সফরে নারীরা একাকী যেতে পারবে না। ইলমে ফিকহের বিখ্যাত গ্রন্থ ‘হেদায়া’য় এসেছে- ‘কোনো নারী যদি মাহরাম ছাড়া হজ করে তবে ওই নারীর হজ আদায় হয়ে যাবে কিন্তু মাহরাম ছাড়া হজের দীর্ঘ সফর করার কারণে ওই নারী গোনাহগার হবে।‘ তাই ফিকহের নির্দেশনা হলো- ‘হজের দীর্ঘ সফরের জন্য নারীর উচিত মাহরাম পাওয়ার জন্য জীবনের শেষ সময় পর্যন্ত অপেক্ষা করা। যদি কোনো মাহরাম না পান তবে তিনি নিজে হজের সফরে না গিয়ে অন্যের মাধ্যমে বদলি হজের ব্যবস্থা করা।

আর এটাই অধিকতর যুক্তিসঙ্গত। নারীর জন্য মাহরামের আবশ্যকতা কেন? হ্যাঁ, নারীরা মাহরাম ছাড়া কেন দূরের সফরে বা হজে যেতে পারবে না। এ প্রসঙ্গে প্রসিদ্ধ দুই ইমাম হজরত শাফেঈ ও মালিক রাহমাতুল্লাহি আলাইহি বলেন- ‘নারীর ওপর হজ ফরজ হওয়ার জন্য ‘মাহরাম’ শর্ত নয়। বরং নারীর হজ পালনের শর্ত হলো তার (হজে গমনকারী নারীর দীর্ঘ সফরের) নিরাপত্তা নিশ্চিত হওয়া। দীর্ঘ ভ্রমণ বা সফরের পথ যদি নিরাপদ হয় তবে মাহরামবিহীন একজন নারী একদল মাহরামওয়ালী নারীর সঙ্গে হজে যেতে পারবে।’ এখানে এমন একদল নারীর সঙ্গে যাওয়ার অনুমতি রয়েছে; যাদের সঙ্গে একাধিক মাহরাম আছে। যাতে তাদের পথের নিরাপত্তা নিশ্চিত হয়।

বর্তমান সময়ে যে পরিস্থিতি বিরাজ করছে; তাতে একজন নারীর একাকী বাইরে যাওয়া যেমন নিরাপদ নয়; তেমনি নারীর জন্য বাইরের পরিবেশও নিরাপদ নয়। আর যানবাহনের অবস্থাতো আরো বেশি ভয়ংকর। শহর কিংবা দূরের সফরে নারী যাতায়াতের জন্য নেই নিরাপদ ব্যবস্থাপনা। এ অবস্থায় নারীর ভ্রমণে যেমন রয়েছে ফেতনার আশংকা আবার তাতে নিরাপত্তাহীনতার আশঙ্কাও বেশি। নারীর নিরাপত্তা ও মাহরাম প্রসঙ্গে সমকালীন ইসলামিক স্কলার শায়খ আহমাদুল্লাহ বলেন- ‘নারীরা হলো প্রেসিডেন্টের মতো। সে যেখানেই যাবে তার বডিগার্ড থাকা লাগবেই।

এমনকি সে যদি বডিগার্ড রাখতে নাও চায় তবুও বডিগার্ড নিজ দায়িত্বের কারণে তাকে একা ছাড়তে পারেনা। কোনো প্রেসিডেন্ট কি বডিগার্ড ছাড়া থাকে? আর নারীর বডিগার্ড হলো তার মাহরাম। সবচেয়ে সেরা বডিগার্ড তার ভাই, বাবা এবং স্বামী।’ সুতরাং সব নারীর উচিত ঘরের বাইরে দূরে কোথাও যেতে হলে মাহরামসহ যাওয়া। নিজেদের বাইরের সফরকে নিরাপদ করা। আল্লাহ তাআলা মুসলিম উম্মাহর সব নারীকে মাহরমসহ দূরের সফর কিংবা হজের সফর করার তাওফিক দান করুন এবং কোরআন ও হাদিসের আলোকে চলার তৌফিক দান করুন। আমিন।

 

মুফতী শফিকুল ইসলাম মাযহারী

                  খতীব

বাইতুল আমান জামে মসজিদ

         মুগদা,ঢাকা ।