ঢাকা ১২:২৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০১ ডিসেম্বর ২০২২, ১৭ অগ্রহায়ণ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ

স্পা সেন্টারের আড়ালে চলছে রমরমা দেহ ব্যাবসা

  • রাজু আহমেদ, ঢাকা
  • আপডেট সময় ০২:০৪:৪১ অপরাহ্ন, শনিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২২
  • ৬৩৮ বার পড়া হয়েছে

সাজানো গোছানো সুন্দর ঝকঝকে স্পাঘর। সেখানে পা রাখলেই ক্রেতাদের হাসি মুখে পরিষেবা দিতে সদা প্রস্তুত সেখানকার কর্মীরা। বাইরে থেকে সব ঠিকঠাক মনে হলেও স্পার আড়ালে রমরমাভাবে চলে দেহব্যবসা। গোপনে বেশ বেড়ে উঠেছিল দেহব্যবসার কারবার। বনানীর রোড ২৮/ হাউজ-১৭/ ব্লক-k/ ২-২ এ স্পা সেন্টার। নাম ‘জিংগেল স্পা’। রোড-৭ / হাউজ-৮৪ / বল্ক- H / L- 10 এ স্পা। নাম গোল্ডেন টুলিপ স্পা। স্পা’র আড়ালে দিনেদিনে খদ্দের সংখ্যা বেড়েই চলছে। কোনোভাবেই থামানো যাচ্ছে না রাজধানীর বনানীতে অবস্থিত স্পা সেন্টার গুলোর অবৈধ কর্মকাণ্ড। যেখানে প্রতিনিয়ত চলছে স্পা বা বডি মেসেজ এর নামে দেহ ব্যবসা।

সম্প্রতি বনানীতে এমন দুইটি স্পা সেন্টারের নাম উঠে এসেছে, যারা অজানা ক্ষমতাবলে চালিয়ে যাচ্ছে অবাধে চালিয়ে যাচ্ছে পতিতাবৃত্তিসহ অসামাজিক কার্যকলাপ। গোপন সূত্রের ভিত্তিতে এই দুইটি স্পা সেন্টারের সম্পর্কে জানা যায়, বডি মেসেজের নাম করে স্কুল-কলেজ ও ইউনিভার্সিটি পড়ুয়া মেয়েসহ দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে বিভিন্ন বয়সী নারীদের একত্রিত করে দেহ ব্যবসা পরিচালনা, যৌন শোষণ, নিপীড়নমূলক কাজ করা হয়। যার মূল উদ্দেশ্য থাকে গ্রাহকের সাথে যৌন সম্পর্কে সৃষ্টির মাধ্যমে টাকা উপার্জন করা। এমনকি স্পা সেন্টার গুলোতে থাকে মাদকের ব্যবস্থা। যেখানে বিভিন্ন পর্যায়ের পুরুষ গ্রাহকরা খুব সহজেই টাকার বিনিময়ে পেয়ে যায় মাদকের নিরাপদ আখড়া। যা কিনা সামাজিক অবক্ষয়ের অন্যতম কারণ।

এ বিষয়ে মুঠোফোনে তাদের সাথে যোগাযোগ করলে তারা বলেন, আমাদের সব বৈধতার কাগজ আছে। আমরা প্রশাসনকে ম্যানেজ করি, এবং নিয়মিত মাসোহারা দেই। কিন্তু সরোজমিনে দৈনিক আমাদের মাতৃভূমি পত্রিকার প্রতিবেদক তথ্য সংগ্রহের জন্য ঐ দুইটি স্পা সেন্টারে গেলে গোল্ডেন টিউলিপ স্পা সেন্টার মেনেজার উসাখর তার সহযোগী পুজা, বেলী, রেশমী এছাড়া জিংগেল স্পা’ নামক সেন্টারের মালিক জুয়েল ও মেনেজার রাফিক কোন প্রকার তথ্য দিতে অস্বীকার করে প্রতিবেদককে প্রাণনাশের হুমকি দেয়। এবং স্পা সেন্টার থেকে জোরপূর্বক বের করে দেওয়ার চেষ্টা করে।

এই বিষয়ে বনানী থানার ওসি প্রতিবেদক কে বলেন, আমরা প্রতিনিয়ত এই ধরনের অবৈধ প্রতিষ্ঠানে অভিযান চালিয়ে যাচ্ছি এবং কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের মামলাও দিয়েছ। তাছাড়া এই ধরনের অবৈধ ব্যবসা কাউকে চালাতে দেওয়া হবে না।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published.

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

স্পা সেন্টারের আড়ালে চলছে রমরমা দেহ ব্যাবসা

আপডেট সময় ০২:০৪:৪১ অপরাহ্ন, শনিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২২

সাজানো গোছানো সুন্দর ঝকঝকে স্পাঘর। সেখানে পা রাখলেই ক্রেতাদের হাসি মুখে পরিষেবা দিতে সদা প্রস্তুত সেখানকার কর্মীরা। বাইরে থেকে সব ঠিকঠাক মনে হলেও স্পার আড়ালে রমরমাভাবে চলে দেহব্যবসা। গোপনে বেশ বেড়ে উঠেছিল দেহব্যবসার কারবার। বনানীর রোড ২৮/ হাউজ-১৭/ ব্লক-k/ ২-২ এ স্পা সেন্টার। নাম ‘জিংগেল স্পা’। রোড-৭ / হাউজ-৮৪ / বল্ক- H / L- 10 এ স্পা। নাম গোল্ডেন টুলিপ স্পা। স্পা’র আড়ালে দিনেদিনে খদ্দের সংখ্যা বেড়েই চলছে। কোনোভাবেই থামানো যাচ্ছে না রাজধানীর বনানীতে অবস্থিত স্পা সেন্টার গুলোর অবৈধ কর্মকাণ্ড। যেখানে প্রতিনিয়ত চলছে স্পা বা বডি মেসেজ এর নামে দেহ ব্যবসা।

সম্প্রতি বনানীতে এমন দুইটি স্পা সেন্টারের নাম উঠে এসেছে, যারা অজানা ক্ষমতাবলে চালিয়ে যাচ্ছে অবাধে চালিয়ে যাচ্ছে পতিতাবৃত্তিসহ অসামাজিক কার্যকলাপ। গোপন সূত্রের ভিত্তিতে এই দুইটি স্পা সেন্টারের সম্পর্কে জানা যায়, বডি মেসেজের নাম করে স্কুল-কলেজ ও ইউনিভার্সিটি পড়ুয়া মেয়েসহ দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে বিভিন্ন বয়সী নারীদের একত্রিত করে দেহ ব্যবসা পরিচালনা, যৌন শোষণ, নিপীড়নমূলক কাজ করা হয়। যার মূল উদ্দেশ্য থাকে গ্রাহকের সাথে যৌন সম্পর্কে সৃষ্টির মাধ্যমে টাকা উপার্জন করা। এমনকি স্পা সেন্টার গুলোতে থাকে মাদকের ব্যবস্থা। যেখানে বিভিন্ন পর্যায়ের পুরুষ গ্রাহকরা খুব সহজেই টাকার বিনিময়ে পেয়ে যায় মাদকের নিরাপদ আখড়া। যা কিনা সামাজিক অবক্ষয়ের অন্যতম কারণ।

এ বিষয়ে মুঠোফোনে তাদের সাথে যোগাযোগ করলে তারা বলেন, আমাদের সব বৈধতার কাগজ আছে। আমরা প্রশাসনকে ম্যানেজ করি, এবং নিয়মিত মাসোহারা দেই। কিন্তু সরোজমিনে দৈনিক আমাদের মাতৃভূমি পত্রিকার প্রতিবেদক তথ্য সংগ্রহের জন্য ঐ দুইটি স্পা সেন্টারে গেলে গোল্ডেন টিউলিপ স্পা সেন্টার মেনেজার উসাখর তার সহযোগী পুজা, বেলী, রেশমী এছাড়া জিংগেল স্পা’ নামক সেন্টারের মালিক জুয়েল ও মেনেজার রাফিক কোন প্রকার তথ্য দিতে অস্বীকার করে প্রতিবেদককে প্রাণনাশের হুমকি দেয়। এবং স্পা সেন্টার থেকে জোরপূর্বক বের করে দেওয়ার চেষ্টা করে।

এই বিষয়ে বনানী থানার ওসি প্রতিবেদক কে বলেন, আমরা প্রতিনিয়ত এই ধরনের অবৈধ প্রতিষ্ঠানে অভিযান চালিয়ে যাচ্ছি এবং কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের মামলাও দিয়েছ। তাছাড়া এই ধরনের অবৈধ ব্যবসা কাউকে চালাতে দেওয়া হবে না।