ঢাকা ০৯:৪৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২৩, ১৫ মাঘ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::

সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী মোঃ মাহবুবুর রহমান নিটল

উপ-নির্বাচন-৩৩, গাইবান্ধা -০৫ ( সাঘাটা ফুলছড়ি) সংসদীয় আসনে অবিভক্ত বাংলার সাবেক কৃষিমন্ত্রী, বাংলার কৃষকবন্ধু মরহুম আহম্মদ হোসেন উকিল এর নাতি ও সাবেক সফল ইউপি চেয়ারম্যানের সুযোগ্য পুত্র- ক্লিন ইমেজের যোগ্য জনপ্রিয় নবীন আওয়ামী নেতা মোঃ মাহবুবুর রহমান নিটল সহ-সভাপতি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সাঘাটা উপজেলা শাখা সাঘাটা, গাইবান্ধা। আসন্ন ৩৩, গাইবান্ধা -০৫ আসনে সংসদ সদস্য পদে দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশী।

দৈনিক আমাদের মাতৃভূমির অনুন্ধানে জানা যায়, মোঃ মাহবুবুর রহমান নিটল এর-দাদা অবিভক্ত বাংলার জনদরদী নেতা মরহুম আহম্মদ হোসেন উকিল । যার অবদানে সমগ্র উত্তর বঙ্গের প্রভুত উন্নয়ন সাধিত হয়েছিল। অভিবক্ত বাংলার আহম্মদ হোসেন ( ১৮৯৬-১৯৬১) হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীর মন্ত্রী সভায় ( ১৯৪৬-৪৭) কৃষি, বন ও মৎস্য মন্ত্রনালয়ের মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

তারপর অভিবক্ত বাংলার রংপুর জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ছিলেন ( ১৯৫৫- ৫৬ ) সালে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্থানে আবু হোসেন সরকারের মন্ত্রী সভায় কৃষি মন্ত্রী ছিলেন, ১৯৩৭ সাল থেকে নিয়ে ১৯৫৮ সাল পর্যন্ত তিনি একনাগাড়ে সাঘাটা ফুলছড়ির সংদীয় আসনে ৮ বার এম এল এ/এমপি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

কালজয়ী পুরুষ আহমদ হোসেন, ১৮৯৬ সালের ৭ই মার্চ তদানীন্তন রংপুর জেলার গাইবান্ধা মহুকুমার অর্ন্তগত সাঘাটা থানার জালাল তাইড় গ্রামে জন্ম গ্রহন করেন। সোনাতুলা হাইস্কুল থেকে তিনি মেট্রিকুলেশন পাশ করে আলীগড় মুসলিম ইউনিভার্সিটি থেকে “ল” ড্রিগ্রি লাভ করেন। বণার্ঢ্য রাজনৈতিক জীবনে অধিকারী আহম্মদ হোসেন অল ইন্ডিয়া কংগ্রেস পার্টিতে যোগদান করেন এবং ব্রিটিশদের কবল থেকে পাক ভারত উপমহাদেশের স্বাধিনতা আন্দোলনে অংশগ্রহন করেন। তিনি মহাত্মা গান্ধীর ১৯২০ সালে বৃটিশ বিরোধী অসহযোগ আন্দোলনে সক্রীয় ভূমিকা পালন করেন। আহম্মদ হোসেন যে কঠিন কাজটি করেছেন তাহলো মহাত্মা গান্ধীর অসহযোগ আন্দোলনের পক্ষে জনমত গঠনের জন্য প্রাণপন চেষ্টা করেন। তিনি গোটা উত্তরাঞ্চল এবং রংপুর জেলার সর্বত্র অসহযোগ আন্দোলনের পক্ষে গণ সংযোগ করেন।

অনুসন্ধানে আরো জানা যায়, মুসলীম লীগ প্রতিষ্ঠিত হয় তখন আহম্মদ হোসেন মুসলীম লীগে যোগদান করেন। সেই সাথে তিনি ১৯৩৭ সালে অনুষ্ঠিত সাধারণ নির্বাচনে মুসলীম লীগের মনোনীত প্রার্থী হয়ে প্রতিদ্বন্দিতা করেন এবং অবিভক্ত বাংলার আইন পরিষদ সদস্য নির্বাচিত হন। সফলকাম তেজস্বী কর্মপাগল রাজনীতিবীদ আহম্মদ হোসেন ১৯৪৬ সালে অনুষ্ঠিত সর্ব ভারতীয় সাধারণ নির্বাচনে মুসলীম লীগের মনোনীত প্রার্থী হয়ে প্রতিদ্বন্দিতা করে বেঙ্গল আইন পরিষদের এম এল এ নির্বাচিত হন। সেই সাথে তিনি কৃষি, বন ও মৎস্য চাষ মন্ত্রনালয়ের মন্ত্রীর দায়িত্ব প্রাপ্ত হন। সেই সময় চীফ মিনিস্টার ছিলেন হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী। এরপর ১৯৪৭ সালে অবিভক্ত বাংলা ভাগ হওয়ার পর তিনি তদানীন্তর পূর্ব পাকিস্থানের এম এল এ নির্বাচিত হন।

দূরদর্শী রাজনীতিবীদ আহম্মদ হোসেন সত্যিকার অর্থেই ছিলেন একজন উচ্চ মানের দূরদর্শী কৃর্তিমান রাজনৈতিক নেতা। যিনি অতীত বর্তমান এবং ভবিষ্যত দিব্যঙ্গানে দেখতে পেতেন। আর সেই কারণেই আহম্মদ হোসেন ১৯৫৪ সাল শেরে বাংলা একে ফজলুল হক, মওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী এবং হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী নেতৃত্বধীন যুক্তফ্রন্টে যোগদান করেন। তিনি পূর্ব পাকিস্থান ন্যাশনাল এসম্বেলীতে যুক্তফ্রন্ট মনোনীত প্রার্থী হিসেবে বিজয়ী হন। বণার্ঢ্য জীবনের অধিকারী , সফল সময়োপযোগী রাজনীতিবীদ আহম্মদ হোসেন একজন দূরদর্শী দার্শনিকও ছিলেন। তিনি একজন খাটি আগাগোড়া সম্ভ্রান্ত মুসলমান ছিলেন। তিনি ইসলামি শিক্ষার প্রতি অনুরাগী ছিলেন আর সেই কারণেরই ১৯৩৯ সালে মহিমাগঞ্জ আলীয়া মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠা করেন।

এছাড়াও তিনি মহিমাগঞ্জ হাই স্কুল এবং মসজিদ প্রতিষ্ঠা করেন। জনদরদী নেতা আহম্মদ হোসেন তার নির্বাচনী একালায় মাছ, ডিম উৎপাদন এবং ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্পের প্রসার ঘটান। তার বিশাল কার্যক্রম হচ্ছে “রংপুর সুগার মিল” মহিমাগঞ্জে প্রতিষ্ঠা করা, তার দ্বারা গাইনবান্ধা এ টি আই, গাইবান্ধা পুরাতন বার ভবন ও বন্যা রোধকল্পে কুড়িগ্রাম ব্রম্মপুত্র নদ হইতে পাবনার বেড়া পর্যন্ত বাধ নির্মাণ করেন এবং নিজ নির্বাচনী এলাকায় কৃষক ভাইদের সুবিধার্থে কালপানি বাধে সুইজগেট নির্মাণ করেন পানির সুবিধার জন্য। তিনি ব্লক সুপারভাইজার পদও সৃষ্টি করেন। মোট কথা জণকল্যাণে যা কিছু সম্ভব তার সব টুকুই করার চেষ্টা করেছেন তিনি।

তিনি একনাগাড়ে তার নির্বাচনী এলাকা ৩৩, গাইবান্ধা-০৫ এ এম এল এ/ এম পি হিসাবে আসীন ছিলেন ৮ বার। তৎকালীন পাকিস্থানে ১৯৫৮ সালে আইয়ুব খান সামরিক শাসন জারি করে ক্ষমতা দখলের আগ পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করে। মাত্র ৬৫ বছর বয়সে ১৯৬১ সালের ১৯ শে মে আহম্মদ হোসেন ইন্তেকাল করেছেন।

সাঘাটা-ফুলছড়ি উপ সংসদীয় নির্বাচনের সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী মোঃ মাহবুবুর রহমান নিটলের সাথে তার পিতার কথা জানতে চাইলে তিনি দৈনিক আমাদের মাতৃভূমিকে বলেন, আমার পিতাঃমরহুম আব্দুল্লাহ আল হাদী “

তিনি ছিলেন সাবেক সফল ইউপি চেয়ারম্যান মরহুম আব্দুল্লাহ আল হাদী সাহেবের সুযোগ্য পুত্র। তিনি বলেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনা, মাননীয় মনোনয়ন বোর্ড ও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ এর সকল নেতৃবৃন্দ যদি আমাকে উক্ত আসনে মনোনীত করেন তাহলে আমি ১০০% নিশ্চিত নৌকা বিজয় এনে দিতে পারবো ইনশাআল্লাহ। কারণ তৃণমূলের নেতাকর্মীরা ও প্রিয় এলাকাবাসী এখন সৎ,যোগ্য এবং নীতিবান প্রার্থীকে প্রাধান্য দিচ্ছেন। তাদের একটাই কথা আমরা যদি মাহবুবুর রহমান নিটল এই প্রার্থী হিসাবে পাই তাহলে আমরা ১০০% নৌকার প্রার্থী বিজয়ের একটা চমক সৃষ্টি হবে। কারণ এলাকাবাসী এখন এই চমক দেখার অপেক্ষায় আছেন। যা এখন হাটে বাজারে চা-য়ের কাপে কাপে।

সব কথার শেষ কথা প্রিয় নেত্রী যাকে মনোনীত করবেন আমি একজন বঙ্গবন্ধুর আদর্শ সৈনিক হিসাবে এবং দেশরত্ন শেখ হাসিনার একজন ক্ষুদ্র কর্মী হিসাবে জীবন দিয়ে হলেও তার জন্য কাজ করে যাবো ইনশাআল্লাহ। ইতিমধ্যে আমি দলকে ঐক্যবদ্ধ করতে প্রাণপন চেষ্টা করে যাচ্ছি এবং আগামী দলকে সুসংগঠিত ও ঐক্যবদ্ধ করে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা গড়তে এবং দেশরত্ন শেখ হাসিনার ২০৪১ বাস্তবায়ন করতে নিজের জীবনকে বিলিয়ে দিতেও দ্বিধা বোধ করবো না। প্রিয় নেত্রী ও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ গাইবান্ধা -৫ সাঘাটা ফুলছড়ি উপজেলাতে কি হচ্ছে সবই উঁনি যানেন, কাজেই আমি এবং প্রাণপ্রিয় এলাকাবাসী আশা করছেন সব কিছু বিচার – বিশ্লেষন করেই উঁনি তাকে মনোনীত করবেন ইনশাআল্লাহ।

 

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published.

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

আ.লীগ নয়, বিএনপির প্রধান শত্রু জনগণ : শেখ পরশ

সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী মোঃ মাহবুবুর রহমান নিটল

আপডেট সময় ০১:১৫:৫৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৯ সেপ্টেম্বর ২০২২

উপ-নির্বাচন-৩৩, গাইবান্ধা -০৫ ( সাঘাটা ফুলছড়ি) সংসদীয় আসনে অবিভক্ত বাংলার সাবেক কৃষিমন্ত্রী, বাংলার কৃষকবন্ধু মরহুম আহম্মদ হোসেন উকিল এর নাতি ও সাবেক সফল ইউপি চেয়ারম্যানের সুযোগ্য পুত্র- ক্লিন ইমেজের যোগ্য জনপ্রিয় নবীন আওয়ামী নেতা মোঃ মাহবুবুর রহমান নিটল সহ-সভাপতি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সাঘাটা উপজেলা শাখা সাঘাটা, গাইবান্ধা। আসন্ন ৩৩, গাইবান্ধা -০৫ আসনে সংসদ সদস্য পদে দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশী।

দৈনিক আমাদের মাতৃভূমির অনুন্ধানে জানা যায়, মোঃ মাহবুবুর রহমান নিটল এর-দাদা অবিভক্ত বাংলার জনদরদী নেতা মরহুম আহম্মদ হোসেন উকিল । যার অবদানে সমগ্র উত্তর বঙ্গের প্রভুত উন্নয়ন সাধিত হয়েছিল। অভিবক্ত বাংলার আহম্মদ হোসেন ( ১৮৯৬-১৯৬১) হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীর মন্ত্রী সভায় ( ১৯৪৬-৪৭) কৃষি, বন ও মৎস্য মন্ত্রনালয়ের মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

তারপর অভিবক্ত বাংলার রংপুর জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ছিলেন ( ১৯৫৫- ৫৬ ) সালে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্থানে আবু হোসেন সরকারের মন্ত্রী সভায় কৃষি মন্ত্রী ছিলেন, ১৯৩৭ সাল থেকে নিয়ে ১৯৫৮ সাল পর্যন্ত তিনি একনাগাড়ে সাঘাটা ফুলছড়ির সংদীয় আসনে ৮ বার এম এল এ/এমপি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

কালজয়ী পুরুষ আহমদ হোসেন, ১৮৯৬ সালের ৭ই মার্চ তদানীন্তন রংপুর জেলার গাইবান্ধা মহুকুমার অর্ন্তগত সাঘাটা থানার জালাল তাইড় গ্রামে জন্ম গ্রহন করেন। সোনাতুলা হাইস্কুল থেকে তিনি মেট্রিকুলেশন পাশ করে আলীগড় মুসলিম ইউনিভার্সিটি থেকে “ল” ড্রিগ্রি লাভ করেন। বণার্ঢ্য রাজনৈতিক জীবনে অধিকারী আহম্মদ হোসেন অল ইন্ডিয়া কংগ্রেস পার্টিতে যোগদান করেন এবং ব্রিটিশদের কবল থেকে পাক ভারত উপমহাদেশের স্বাধিনতা আন্দোলনে অংশগ্রহন করেন। তিনি মহাত্মা গান্ধীর ১৯২০ সালে বৃটিশ বিরোধী অসহযোগ আন্দোলনে সক্রীয় ভূমিকা পালন করেন। আহম্মদ হোসেন যে কঠিন কাজটি করেছেন তাহলো মহাত্মা গান্ধীর অসহযোগ আন্দোলনের পক্ষে জনমত গঠনের জন্য প্রাণপন চেষ্টা করেন। তিনি গোটা উত্তরাঞ্চল এবং রংপুর জেলার সর্বত্র অসহযোগ আন্দোলনের পক্ষে গণ সংযোগ করেন।

অনুসন্ধানে আরো জানা যায়, মুসলীম লীগ প্রতিষ্ঠিত হয় তখন আহম্মদ হোসেন মুসলীম লীগে যোগদান করেন। সেই সাথে তিনি ১৯৩৭ সালে অনুষ্ঠিত সাধারণ নির্বাচনে মুসলীম লীগের মনোনীত প্রার্থী হয়ে প্রতিদ্বন্দিতা করেন এবং অবিভক্ত বাংলার আইন পরিষদ সদস্য নির্বাচিত হন। সফলকাম তেজস্বী কর্মপাগল রাজনীতিবীদ আহম্মদ হোসেন ১৯৪৬ সালে অনুষ্ঠিত সর্ব ভারতীয় সাধারণ নির্বাচনে মুসলীম লীগের মনোনীত প্রার্থী হয়ে প্রতিদ্বন্দিতা করে বেঙ্গল আইন পরিষদের এম এল এ নির্বাচিত হন। সেই সাথে তিনি কৃষি, বন ও মৎস্য চাষ মন্ত্রনালয়ের মন্ত্রীর দায়িত্ব প্রাপ্ত হন। সেই সময় চীফ মিনিস্টার ছিলেন হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী। এরপর ১৯৪৭ সালে অবিভক্ত বাংলা ভাগ হওয়ার পর তিনি তদানীন্তর পূর্ব পাকিস্থানের এম এল এ নির্বাচিত হন।

দূরদর্শী রাজনীতিবীদ আহম্মদ হোসেন সত্যিকার অর্থেই ছিলেন একজন উচ্চ মানের দূরদর্শী কৃর্তিমান রাজনৈতিক নেতা। যিনি অতীত বর্তমান এবং ভবিষ্যত দিব্যঙ্গানে দেখতে পেতেন। আর সেই কারণেই আহম্মদ হোসেন ১৯৫৪ সাল শেরে বাংলা একে ফজলুল হক, মওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী এবং হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী নেতৃত্বধীন যুক্তফ্রন্টে যোগদান করেন। তিনি পূর্ব পাকিস্থান ন্যাশনাল এসম্বেলীতে যুক্তফ্রন্ট মনোনীত প্রার্থী হিসেবে বিজয়ী হন। বণার্ঢ্য জীবনের অধিকারী , সফল সময়োপযোগী রাজনীতিবীদ আহম্মদ হোসেন একজন দূরদর্শী দার্শনিকও ছিলেন। তিনি একজন খাটি আগাগোড়া সম্ভ্রান্ত মুসলমান ছিলেন। তিনি ইসলামি শিক্ষার প্রতি অনুরাগী ছিলেন আর সেই কারণেরই ১৯৩৯ সালে মহিমাগঞ্জ আলীয়া মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠা করেন।

এছাড়াও তিনি মহিমাগঞ্জ হাই স্কুল এবং মসজিদ প্রতিষ্ঠা করেন। জনদরদী নেতা আহম্মদ হোসেন তার নির্বাচনী একালায় মাছ, ডিম উৎপাদন এবং ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্পের প্রসার ঘটান। তার বিশাল কার্যক্রম হচ্ছে “রংপুর সুগার মিল” মহিমাগঞ্জে প্রতিষ্ঠা করা, তার দ্বারা গাইনবান্ধা এ টি আই, গাইবান্ধা পুরাতন বার ভবন ও বন্যা রোধকল্পে কুড়িগ্রাম ব্রম্মপুত্র নদ হইতে পাবনার বেড়া পর্যন্ত বাধ নির্মাণ করেন এবং নিজ নির্বাচনী এলাকায় কৃষক ভাইদের সুবিধার্থে কালপানি বাধে সুইজগেট নির্মাণ করেন পানির সুবিধার জন্য। তিনি ব্লক সুপারভাইজার পদও সৃষ্টি করেন। মোট কথা জণকল্যাণে যা কিছু সম্ভব তার সব টুকুই করার চেষ্টা করেছেন তিনি।

তিনি একনাগাড়ে তার নির্বাচনী এলাকা ৩৩, গাইবান্ধা-০৫ এ এম এল এ/ এম পি হিসাবে আসীন ছিলেন ৮ বার। তৎকালীন পাকিস্থানে ১৯৫৮ সালে আইয়ুব খান সামরিক শাসন জারি করে ক্ষমতা দখলের আগ পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করে। মাত্র ৬৫ বছর বয়সে ১৯৬১ সালের ১৯ শে মে আহম্মদ হোসেন ইন্তেকাল করেছেন।

সাঘাটা-ফুলছড়ি উপ সংসদীয় নির্বাচনের সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী মোঃ মাহবুবুর রহমান নিটলের সাথে তার পিতার কথা জানতে চাইলে তিনি দৈনিক আমাদের মাতৃভূমিকে বলেন, আমার পিতাঃমরহুম আব্দুল্লাহ আল হাদী “

তিনি ছিলেন সাবেক সফল ইউপি চেয়ারম্যান মরহুম আব্দুল্লাহ আল হাদী সাহেবের সুযোগ্য পুত্র। তিনি বলেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনা, মাননীয় মনোনয়ন বোর্ড ও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ এর সকল নেতৃবৃন্দ যদি আমাকে উক্ত আসনে মনোনীত করেন তাহলে আমি ১০০% নিশ্চিত নৌকা বিজয় এনে দিতে পারবো ইনশাআল্লাহ। কারণ তৃণমূলের নেতাকর্মীরা ও প্রিয় এলাকাবাসী এখন সৎ,যোগ্য এবং নীতিবান প্রার্থীকে প্রাধান্য দিচ্ছেন। তাদের একটাই কথা আমরা যদি মাহবুবুর রহমান নিটল এই প্রার্থী হিসাবে পাই তাহলে আমরা ১০০% নৌকার প্রার্থী বিজয়ের একটা চমক সৃষ্টি হবে। কারণ এলাকাবাসী এখন এই চমক দেখার অপেক্ষায় আছেন। যা এখন হাটে বাজারে চা-য়ের কাপে কাপে।

সব কথার শেষ কথা প্রিয় নেত্রী যাকে মনোনীত করবেন আমি একজন বঙ্গবন্ধুর আদর্শ সৈনিক হিসাবে এবং দেশরত্ন শেখ হাসিনার একজন ক্ষুদ্র কর্মী হিসাবে জীবন দিয়ে হলেও তার জন্য কাজ করে যাবো ইনশাআল্লাহ। ইতিমধ্যে আমি দলকে ঐক্যবদ্ধ করতে প্রাণপন চেষ্টা করে যাচ্ছি এবং আগামী দলকে সুসংগঠিত ও ঐক্যবদ্ধ করে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা গড়তে এবং দেশরত্ন শেখ হাসিনার ২০৪১ বাস্তবায়ন করতে নিজের জীবনকে বিলিয়ে দিতেও দ্বিধা বোধ করবো না। প্রিয় নেত্রী ও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ গাইবান্ধা -৫ সাঘাটা ফুলছড়ি উপজেলাতে কি হচ্ছে সবই উঁনি যানেন, কাজেই আমি এবং প্রাণপ্রিয় এলাকাবাসী আশা করছেন সব কিছু বিচার – বিশ্লেষন করেই উঁনি তাকে মনোনীত করবেন ইনশাআল্লাহ।